Sharing is caring!

অনুমতি ছাড়াই গ্যাস বিক্রি

নাচোলের বিভিন্ন দোকানে বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার

নাচোল প্রতিনিধি

যেন কোন অনুমতি বা বৈধতার প্রশ্ন নেই। কোন প্রকার ব্যবসায়ীক লাইসেন্স বা অনুমতি ছাড়াই চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে বিভিন্ন দোকানে বিক্রি হচ্ছে এলপিজি গ্যাস সিন্ডিার। সরকার রাজস্ব বঞ্চিত হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নেই নজরদারী। নেই মাথাব্যাথাও। যত্রতত্র এভাবে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি হওয়ায় যে কোন সময় দূর্ঘটনার আশংকা করেছেন স্থানীয়রা। সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার নাচোল, রাজবাড়ি, নেজামপুর, হাটবাকইল, সোনাইচন্ডি, ভোলার মোড়সহ বিভিন্ন বাজারের মুদিখানা, কসমেটিকস, ফার্মেসী ও ইলেকট্রিক দোকানে গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবসা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকারি নিয়মনীতিকে তোয়াক্কা করছেন না এসব ব্যবসায়ীরা। বেশিরভাগ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ছাড়াই শুধুমাত্র ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্স দিয়েই গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। একাধিক গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রেতার সাথে কথা বলে জানা যায়, তাদের গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করার প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ও ফায়ার সেফটি ইস্টিংগুইসার নেই। শুধুমাত্র নাচোল পৌর এলাকার বাসস্ট্যান্ডের মেসার্স সাত্তার ট্রেডার্স এবং মধ্য বাজারের মেসার্স লুৎফর ট্রেডার্স এর ফায়ার ও পরিবেশ অধিদপ্তরের লাইসেন্স আছে। বাকিদের কারো কোন লাইসেন্স বা ছাড়পত্র নেই বলে জানা গেছে। বিনা লাইসেন্সেই চালাচ্ছেন এ ব্যবসা। এব্যাপারে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অফিসের ডিএডি সাবের আলী প্রামানিক বলেন, এলপিজি(তরলীকৃত) গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবসা করতে হলে ট্রেড লাইসেন্স, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র, ফায়ার লাইসেন্সসহ ফায়ার ইস্টিংগুইসার ডিসপ্লে(সংরক্ষণ) করা বাধ্যতামূলক। হোলসেল ডিলাদের ক্ষেত্রে বিস্ফোরক লাইসেন্স এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করে নিয়ন্ত্রিত গুদাম ঘর রাখাও বাধ্যতামূলক বলে জানান তিনি। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবিহা সুলতানা বলেন, অবৈধ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে শীঘ্রই অভিযান পরিচালনা করা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *