Sharing is caring!

স্টাফ রিপোর্টার \ নানা জল্পনা কল্পনা শেষে জেলার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তরিকুল ইসলাম (টি. ইসলাম) এর সাথে চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সমঝোতা হয়েছে। রবিবার বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে এই সমঝোতা হয়েছে বলে জানিয়েছেন টি ইসলাম। চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য ও দৈনিক প্রথম আলোর নিজ¯^ প্রতিনিধি আনোয়ার হোসেন দিলুর সাথে সংবাদ পরিবেশন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার অবসানের জন্য এই সমঝোতা বৈঠক হয় বলেও জানান তিনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম মোস্তফা মন্টু, সাধারণ সম্পাদক কামালউদ্দিনসহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবের অন্যান্য সদস্যগণ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন টি ইসলামকে নিয়ে নানা কটুক্তি করা চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবের বাইরের কিছু সাংবাদিকও। জানা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নে ক্রয়সুত্রে জমির মালিক টি ইসলামের প্রায় ৬ একর জমি নিয়ে আদিবাসীদের সাথে জড়িয়ে বানোয়াট সংবাদ পরিবেশনের ঘটনা নিয়ে প্রথমে দ্ব›দ্ব শুরু হয় আনোয়ার হোসেন দিলুর সাথে। পরে নাচোল উপজেলার নেজামপুর ইউনিয়নের মানিকরা এলাকায় পুকুর নিয়েও একটি সংবাদ নিয়ে দ্ব›দ্ব আরও প্রকট রুপ নেয়। এঘটনা নিয়ে পাল্টা পাল্টি মামলা দায়ের হয় থানা ও আদালতে। এঘটনাকে পুঁজি করে কতিপয় ¯^ার্থাšে^ষী সাংবাদিক জেলার প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াকর্মীদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করে। বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন দিলু চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য হওয়ায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবসহ প্রেসক্লাবের বাইরে থাকা কিছু ¯^ার্থাšে^ষী সাংবাদিকও টি ইসলামের সাথে দ্ব›েদ্ব জড়িয়ে পড়েন। কিন্তু ওইসব ¯^ার্থাšে^ষীরা নিজেদের ¯^ার্থ উদ্ধারের জন্য টি. ইসলামের সাথে দ্ব›দ্ব মেটাতে মরিয়া হয়ে উঠে। বিষয়টি সমাধানের জন্য কিছুদিন থেকেই দফায় দফায় বৈঠকও হয়। অবশেষে রবিবার বিকেলে বিষয়টির সমস্যা সমাধান সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তরিকুল ইসলাম (টি. ইসলাম)। এঘটনায় অনেকের মনে ¯^স্তি ফিরে এসেছে। পুকুর নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার মামলায় আদালত তরিকুল ইসলামই পুকুরের আসল মালিক এবং তরিকুল ইসলাম নির্দোশ বলে আদেশও দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তরিকুল ইসলাম (টি. ইসলাম)। আসলে সত্য, সব সময়ই সত্য। যে ব্যক্তিটিকে কোন প্রমাণ ছাড়াই জালিয়াতসহ নানা অপবাদ দেয়া হয়েছিল। তাহলে আজ সেই ব্যক্তিটি কিভাবে বা কোন আশ্চর্য প্রদীপের ছোঁয়ায় রাতারাতি একজন ভালমানুষ হয়ে উঠলেন এবং কোন কারণে তথাকথিত সৎ ও আদর্শবানরা এই অপবাদ দেয়া মানুষটির সাথে মিমাংসা করলেন, সমস্যা সমাধান হওয়া অবশ্যই ভাল। কিন্তু পানি ঘোলা করার পর কেন? এটায় এখন সাধারণ মানুষ ও সাংবাদিকদের মনে প্রশ্ন?

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *