Sharing is caring!

স্টাফ রিপোর্টার \ জেলায় এবছর ৪০ কেজিতে মণ, ডিজিটাল মিটারে ওজন, আলাদা কোন কমিশন নয়, নগদ টাকায় আম ক্রয় এবং আম ক্যালেন্ডার হিসেবে আম বাজারজাতকরণ বিষয়ে নেয়া সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে এবং বিরোধীতা করে আম বাজারজাত শুরু হয়েছে কানসাট আমবাজারে। জেলা প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে বাদ দিয়ে কৃষকদের বিপক্ষে সরাসরি অবস্থান নিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য গোলাম রাব্বানী। এর সাথে জড়িত রয়েছেন স্থানীয় কিছু নামধারী অসাধু ব্যবসায়ী, আড়ৎদার ও সংগঠনের নেতা। অবশ্য সাংসদকে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে চাষীদের পক্ষে না বলে, চাষীদের বিপক্ষের বিষয়গুলোই বুঝিয়ে ¯^ার্থাšে^ষীদের উদ্দেশ্য সফল করার জন্য সাংসদ মহোদয়কে কাজে লাগিয়েছেন এসব অসাধূ ব্যক্তিরা। কৃষকদের পক্ষে অবস্থান নেয়া জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করতে সুবিধা গ্রহণের জন্যই সাংসদকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছেন তারা। তবে সরজমিনে স্থানীয় চাষীদের সাথে আলোচনা করে চাষীদের মতামতের মূল্যায়নের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিলে হয়তো এমনটি হতো না। এমনিতেই এবছর প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণে আম চাষীরা বিপর্যস্ত, তার উপর আবার মনে ৫ কেজি এবং একটি শলা, যেন “বোঝার উপর শাকের আঁটি”। এমনটিই অভিযোগ জেলার সাধারণ আম চাষিদের।  তবে জেলার সবগুলো আম বাজারে একই নিয়ম চালু রাখার জোর দাবি জানিয়েছেন সুধীজনরা। জানা গেছে, আন্তর্জাতিক খ্যাত আম বাজার কানসাটে কোন প্রকার কমিশন ছাড়াই ৪০ কেজিতেই মণ আম বেচা-কেনা জন্য বার-বার আহŸান ও আইনী হুশিয়ারি দিয়ে আসছেন জেলা প্রশাসক মোঃ মাহমুদুল হাসান। কিন্তু প্রশাসনের এ সিদ্ধান্তকে জনপ্রতিনিধিসহ ¯^ার্থাšে^ষী মহল মানছেন না। একটি সুত্রে জানা যায়, বুধবার দিবাগত রাতে সাধারণ কৃষক ও আমচাষিদের সাথে কোন আলোচনা ছাড়াই কানসাট আম বাজারের আড়ৎদারদের সাথে আলোচনা করে ৪৫ কেজিতে মণ আম ক্রয়-বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য গোলাম রাব্বানী। এনিয়ে সাধারণ কৃষক ও আমচাষিদের মাঝে নানা বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। চলছে চাপা ক্ষোভ। কৃষক ও আমচাষিরা বলছেন, আমরা সাধারণ কৃষক ও আমচাষি-ব্যবসায়ী মাত্র। জেলা প্রশাসন সাধারণ কৃষক, আমচাষি ও ব্যবসায়ীদের কথা চিন্তা করে কমিশন ছাড়াই ৪০ কেজিতে মণ আম বেচা-কেনা, ডিজিটাল মিটারে আমের ওজন, নগদ টাকায় আম গ্রহণের সিদ্ধান্ত দেন। কিন্তু একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে এমপি গোলাম রাব্বানী আড়ৎদারদের সাথে যোগসাজস করে এবং প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে কানসাট আম বাজারে চাষীদের কাছ থেকে মণে ৪৫ কেজি নিতে সিদ্ধান্ত দেন। এমন সিদ্ধান্ত অত্যন্ত দুঃখজনক। এদিকে, শ্যামপুর ইউনিয়নের সদাশিবপুর-টিকোস এলাকার আমচাষি খাইরুল ইসলাম বলেন, বুধবার রাতে শ্যামপুর শাখা ম্যাংগো ফাউন্ডেশনের সভাপতি আতিকুল ইসলাম চৌধুর (ডিউক) আমাদের বলেছেন, বৃহষ্পতিবার থেকে কানসাটে আম বেচা-কেনা চলবে। আম আড়ৎদারদের সাথে সমাধান হয়েছে এমপি গোলাম রাব্বানীর বাড়িতে। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছে কমিশন ছাড়াই ৪৫ কেজিতে মণ, ডিজিটাল মিটারে ওজন ও নগদ টাকায় বিক্রি। কিন্তু সেখানে কোন সাধারণ কৃষক-আম ব্যবসায়ী ছিলো না। তারা তাদের মনগড়া সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর আমরা সাধারণ কৃষক-আমচাষি পড়েছি চরম বিপাকে। একজন এমপি হয়ে কিভাবে আড়ৎদারকে পক্ষ নিয়ে কৃষকের উপর নির্যাতন চাপিয়ে দেয়? এছাড়া সকালে আরো শুনেছি, রাতে যে সিদ্ধান্ত হয়েছে তা সকাল হতে না হতে ৪৫ কেজিতে নয়, ৪৬/৪৭ কেজিতে মণ নিবে বলে ঘোষণা দিচ্ছে আড়ৎদাররা। অপরদিকে, একই ইউনিয়নের মিয়াপাড়া গ্রামের মোতাহারুন ইসলাম বাবুল মিয়া বলেন, প্রশাসনের সিদ্ধান্ত আমরা গ্রহণ করেছি। আমরা এই আমের উপর নির্ভর করে চলি, কিন্তু প্রশাসনের সিদ্ধান্ত কেউ মানছে না। যার ফলে বিপদে পড়ছি আমরা সাধারণ কৃষক ও আমচাষি। তিনি আরো বলেন, নিয়মানুযায়ী যদি আলোচনা সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত হয়, তাহলে সাধারণ কৃষক ও আমচাষিও মিটিংয়ে থাকবে। কিন্তু আমাদের কিছু না জানিয়ে আড়ৎদারদের পক্ষ নিয়ে আম বেচা-কেনা সিদ্ধান্ত হয়। এ সিদ্ধান্ত আমরা প্রত্যাখান করছি। আমরা প্রশাসনের বেঁধে দেয়া সিদ্ধান্তেরই বাস্তবায়ন চাই। এছাড়া দাইপুখুরিয়া ইউনিয়নের বিনোদনগর গ্রামের আমচাষি ও ব্যবসায়ী মোত্তাকিন আলী বলেন, শিবগঞ্জ উপজেলার অন্যান্য  ইউনিয়নের চেয়ে আমাদের ইউনিয়নের বেশি আমচাষি ও ব্যবসায়ী রয়েছে। অন্যান্য বছরের ন্যায় এবছর আমার প্রায় ৮০০ মণ আম রয়েছে। কানসাট আম বাজারে এখানো কোন সমাধান হয়নি। গোলাম রাব্বানী এমপি’র বাড়িতে কৃষক, আমচাষি ও ব্যবসায়ীদের ছাড়াই কানসাট আম বাজারে আড়ৎদারদের সাথে নিয়ে সমাধান হয়েছে, তা আমি জানিনা এবং তা হলেও আমরা মানবো না। আমরা প্রশাসনে সিদ্ধান্তকে বাস্তবায়নে দাবি জানাই। আমাদের ছাড়া যারা সমাধান করেছে তা নিজেদের ¯^ার্থ হাসিল মাত্রই। এদিকে একই ইউনিয়নের আড়গাড়া বিনোদনগর এলাকার তাজামুল হক বলেন, দাইপুখুরিয়া ইউনিয়নে কৃষক-আমচাষির পাশাপাশি বড় বড় আম ব্যবসায়ী রয়েছে। আমি একজন আম ব্যবসায়ী। আমার প্রতিবছর কয়েক হাজার মণ আম থাকে। এবছর প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণে ১ হাজার মণ আম রয়েছে। প্রশাসন যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা আমাদের কাছে খুব ভালো সিদ্ধান্ত। আমরা এই সিদ্ধান্তে অটল থাকবো। শিবগঞ্জের এমপি গোলাম রাব্বানী নাকি আরেক সিদ্ধান্ত বের করে বসেছেন। তিনি বলেন, এমপি সাহেব আমাদের সাথে কোন আলোচনা না করে আড়ৎদারদের সাথে নিয়ে ৪৫ কেজিতে মণ আম বেচা-কেনা সিদ্ধান্ত দেয়। এটা মেনে নেয়ার নয়। তিনি আমাদের সাথে আলোচনা না করে এমন সিদ্ধান্ত কিভাবে নেই? এমপি সাহেব রাতের আঁধারে বিধিবহিঃভূত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমরা এমপি সাহেবের এমন বিধিবহিঃভূত সিদ্ধান্ত মানবো না।
এব্যাপারে কানসাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ বেনাউল ইসলাম জানান, আসলে আম কাঁচামাল। কাঁচামাল নিয়ে চাষীরা অনেকটায় বেকায়দায় পড়েছে। অনেক চাষীও চায় আগের মতই ৪৫ কেজিতে মণ হিসেবে আম বাজারে নিয়ে আসতে। চাষীদের ক্ষতির কথা চিন্তা করেই কাজ করছিলাম। কিন্তু চাষীরাই যদি বেশী দিতে রাজী থাকে, তাহলে, কার পক্ষে আমরা কাজ করবো? তাছাড়া জেলার সব আম বাজারেই তো একই নিয়ম হওয়া উচিৎ। শুধু কানসাট আম বাজারে কেন ভিন্ন নিয়ম চলবে। জেলার অন্যান্য বাজারে ৪৬/৪৭ কেজিতে মণ আম বিক্রি হচ্ছে। দীর্ঘদিন থেকে আসা নিয়ম পরিবর্তণে কেউ এগিয়ে আসছে না। একই নিয়ম না হলে যেখানে মণে বেশী ওজন পাবে, সেখানেই চলে যাবে ব্যাপারিরা। কানসাট আম বাজার নষ্ট হয়ে যাবে। কাজেই কানসাট আম বাজার নষ্ট করা যাবেনা। তবে অন্য কোন অনিয়ম যেন না হয়, সেদিকে অবশ্যই সতর্ক দৃষ্টি রাখা হবে।
এব্যাপারে বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা প্রশাসক মাহমুদুল হাসান বলেন, আমরা কৃষকদের ¯^ার্থ নিয়ে কাজ করছিলাম। স্থানীয় আম আড়ৎদার, ব্যবসায়ী এবং চাষীরা আলোচনা করে সমস্যা সমাধানের জন্য কিছু করলে, আমাদের করার কিছু নেই। সাংসদের ৪৫ কেজিতে মণ আম বিক্রির সিদ্ধান্তের বিষয়ে বলেন, স্থানীয় বিষয়গুলো তিনি ভালোই বোঝেন এবং জানেন। তাই স্থানীয় সমস্যা সমাধানের জন্য তিনি যা করছেন, ভেবেই করছেন। আমরা চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু চাষী, আড়ৎদাররা উভয়েই প্রশাসনের দেয়া সিদ্ধান্ত না মানলে, কি করার আছে? তবে সমস্যা সমাধান হোক এটা আমরা চাই। কেউ যেন ক্ষতিগ্রস্থ না হয়।
উল্লেখ্য, গত ৬ জুন কানসাট আম বাজারে কৃষক সমাবেশে কোন প্রকার কমিশন ছাড়াই ৪০ কেজিতেই মণ আম বেচা-কেনা জন্য বার-বার আহŸান ও কৃষকদের ¯^ার্থে কোন অনিয়ম চলতে দেয়া হবে না বলে আইনী হুশিয়ারি দিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোঃ মাহমুদুল হাসান। সমাবেশে জেলা প্রশাসক বলেন, আমরা চাই সবাই মিলে আম উৎপাদন ও বিপণন ব্যবস্থা সুন্দরভাবে তুলে ধরতে। তাহলে আপনাদের সকলকে মিলে এক সাথে ব্যবসা করতে হবে। এখানে কাউকে বাদ নিয়ে নয়, সমš^য় করে ব্যবসা করতে হবে। প্রধান অতিথি বলেন, আম বাজারে যারা ব্যবসায়ী, ফড়িয়া রয়েছেন, তারা সবাই ভালোভাবে ব্যবসা করুন। আম চাষিদের প¶ে কথা বলতে আমাদের ব্যক্তিগত কোন ¯^ার্থ নাই। প্রধান অতিথি বলেন, নাচোলের ইলা মিত্র কেনো আন্দোলন করেছেন আপনারা জানেন? তিনি চাষিদের জন্য আন্দোলন করেছেন। কারণ, চাষিরা চাষ করে, ফসল উৎপাদন করে। সে সময় চাষিদের উপর নির্যাতন চলেছে, এখনো চলছে। আমরা এই জন্য শুধু চাষিদের প¶ে দাঁড়িয়েছি। আমাদের অন্য কোন উদ্দেশ্য নাই। জেলার সকল আম বাজারে একই নিয়ম মোতাবেক আম বেচাকেনা চলবে। সিদ্ধান্ত অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। এর আগে প্রশাসনের উদ্যোগে কানসাট আম বাজার ও রহনপুর আমবাজারসহ জেলার বিভিন্ন আম বাজারে মাইকিং করে আম আড়ৎদার, আম ব্যবসায়ী ও চাষীদের সতর্ক করে দেয়া হয়। মাইকিং এ বলা হয়, জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক জেলার সকল আম বাজারে ৪০ কেজিতে আমের মণ, ডিজিটাল মিটারে ওজন এবং কোন ধরণের বাড়তি কমিশন নেয়া যাবে না। যদি কোন আড়ৎদার, ব্যবসায়ী বা চাষী এই আদেশ অমান্য করে তাহলে, কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নেয়া হবে। যদি কোন আড়ৎদার এই আদেশ অমান্য করে তাহলে সেও যেমন অপরাধী, কোন ব্যবসায়ী বা চাষী অমান্য করে তাহলে তারাও একইভাবে দোষী। তাই সকলের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। সমাবেশে জেলা প্রশাসক মোঃ মাহমুদুল হাসান আরো বলেন, আম বাজার সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য কানসাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ বেনাউল ইসলামকে প্রধান করে আড়ৎদার সমিতির দুজন, আমচাষি সমিতির দুজন, কৃষকের পক্ষে দুজন ও দুইজন সাংবাদিক প্রতিনিধি নিয়ে কমিটি গঠন করতে হবে। আর এই সমাবেশের পর থেকে অসাধু আম আড়ৎদারদের টনক নড়ে উঠে।
প্রসঙ্গতঃ কিন্তু ওই কমিটি গঠন না করেই হঠাৎ আড়ৎদারদের পক্ষ নিয়ে ৪৫ কেজিতে মণ আম বেচা-কেনা সিদ্ধান্ত দেন সাংসদ গোলাম রাব্বানী। এরপরে গত বুধবার রাতের আঁধারে সাধারণ কৃষক ও আমচাষিদের বাদ দিয়ে আড়ৎদারদের পক্ষ নিয়ে গোলাম রাব্বানী এমপি ৪৫ কেজিতে মণ আম বেচা-কেনা হবে বলে সিদ্ধান্ত দেন। কিন্তু প্রশাসনের ভয়ে আম বাজারে কোন মাইক প্রচার করেননি। আর তার সিদ্ধান্ত হওয়ার পরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসইবুকে এমপির ছেলে আলহাজ্ব আহমেদ ইমতিয়াজ শিশিরসহ অনেকে একটি স্টাটাস আপলোড করে। আলহাজ্ব আহমেদ ইমতিয়াজ শিশিরের আইডিতে পোস্টকৃত স্ট্যাটাস হুবহুব দেয়া হলো-আল্লাহর রহমতে আপনাদের সকলের দোয়াতে, সারা বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয় বাংলাদেশের মধ্যে সর্ববৃহৎ ঐতিহ্যবাহী কানসাট আম বাজারে আম ক্রয় বিক্রয় নিয়ে যে জটিলতা সৃস্টি হয়েছিল, তা আজ কানসাট আম আড়তদার সমিতি ও আম চাষি সমিতির সাথে আলোচনা করে সমাধান হলো। আগামীকাল থেকে যথারীতি আম ডিজিটাল মেশিনে কেনা বেচা চালু হবে। আম বিক্রয় এর আড়তদারকে কোন কমিশন দেয়া লাগবে না, আড়তদারকে প্রতি মণে ১টি করে শলার আম দিতে হবে। আমচাষি ও আড়তদার সমিতির মধ্যে সৃষ্ট সমস্যার সুষ্ঠ ও সুন্দর সমাধান হওয়াতে শিবগঞ্জ উপজেলার আম ব্যবসার সাথে জড়িত সবার মধ্যে ¯^স্তি ফিরে এসেছে। আর এই স্ট্যাটাস আপলোড করার পরপর কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে “শিবগঞ্জ আসনের এমপির হস্তক্ষেপে কানসাটে আম নিয়ে সংকটের সমাধান; কেনা-বেচা শুরু, এমপি রাব্বানীর হস্তক্ষেপে অবশেষে কানসাটে আবারো শুরু হচ্ছে আম বেচা-কেনা” এমন সংবাদ প্রকাশ হয়।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *