Sharing is caring!

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উত্তোরণের যোগ্যতা অর্জন করেছে সম্প্রতি। অবশ্যই এটি একটি অতি গৌরবের বিষয়। এই গৌরব পুরো জাতির। এ যোগ্যতা অর্জনের জন্য দেশের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী পরিষদ, সংসদ সদস্যগণ, সকল প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষকে অনেক ত্যাগ ও কষ্ট করতে হয়েছে। অনেক চড়াই উৎরায় পার হয়ে ৪৭ বছর পরে হলেও বাংলাদেশ এই ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছে। তবে এই অর্জনকে ধরে রাখতে দল-মত নির্বিশেষে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। উন্নয়নের সকল কাজে সহযোগিতা করতে হবে। কারণ বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতিপত্র দেয়া হলেও পুর্ণাঙ্গভাবে স্বীকৃতি পেতে আরও কয়েক বছর অপেক্ষা করতে হবে। আগামী ২০২৪ সাল পর্যন্ত পরীক্ষামূলকভাবে দেশের সকল কার্যক্রম পরিলক্ষিত করবে জাতিসংঘ। তাই আমাদের এই পরীক্ষায়ও উত্তীর্ণ হতে হবে। যে বাঙালি মাত্র ৯ মাসে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ করে দেশকে হানাদার মুক্ত করতে পারে, সে জাতির জন্য কোন কিছুই অসম্ভব নয়। দেশ এগিয়েছে। সবার অংশ গ্রহণ থাকলে আরও দ্রুত আমরা এগিয়ে যেতে পারবো। বিরোধিতার ¯স্বার্থে আমরা যেন দেশের ক্ষতিকারক কোন কাজ না করি। এমন হলে নিজ স্বার্থের জন্য দেশের বড় ধরণের ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। তাই আমরা এমন কোন কাজ নিজে করবো না, কেউ করতে চাইলে, তাকে বিরত রাখার ব্যবস্থাও করতে হবে। অন্যথায় এই অর্জন ধরে রাখা কষ্টের হবে। “¯স্বাধীনতা পাওয়ার চেয়ে, স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন” কথাটি যেমন সত্য, তেমনি সত্য উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পর এর ধারাবাহিকতা রক্ষা করে সঠিক লক্ষে পৌছা। তাই আমাদের সকল ভেদাভেদ ভুলে উন্নয়নশীল দেশের ধারা অব্যহত রাখতে সকলে মিলে একসাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সকল উন্নয়ন কর্মকান্ডে সকলের অংশ গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। এমনটায় মনে করছেন জেলার সচেতন মহল। উল্লেখ্য, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উত্তোরণের যোগ্যতা অর্জনের ঐতিহাসিক সাফল্য উদযাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বৃহস্পতিবার। ২০ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শোভাযাত্রা, প্রামান্য চিত্র প্রদর্শণ, আতোষবাজী, আলোচনা সভা ও সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *