Sharing is caring!


স্টাফ রিপোর্টার \ মোঃ নাদিম মাহমুদ আমীন, একজন এতিম ও মেধাবী শিক্ষার্থী। সে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলার রাণীহাটি ইউনিয়নের ঘোড়াপাখিয়া গ্রামের মৃত. ইউসুফ ও মৃত. নিলুফা ইয়াসমিন বেগমের ছেলে। এতিম ও মেধাবী নাদিম মাহমুদ আমীন ২০০০ সালের ২৯ শে ডিসেম্বরে শহরের আলীনগর গ্রামে নানা মৃত. এসতাব আলী বাড়িতে জন্মগ্রহন করে। জন্মের ২ মাস পর আমীনের মা নিলুফা ইয়াসমিন বেগম মারা যান। জন্মের পর থেকে সে নানা-নানীর বাড়িতে লালন-পালনে বড় হয়েছে। এরপর নাদিম মাহমুদ আমীন ২০১২ সালে বাবা ইউসুফ আলীকেও হারায়। এতে সে মাতৃ-পিতৃ হারা জীবন নিয়ে ভবিষ্যতের ¯^প্ন গড়তে পড়ালেখায় উদ্যোমী হয়ে উঠে। নানা-নানীর বাড়ি থেকে পড়াশোনা করছে আমীন। সে ২০১১ সালে বিউগল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সমাপনী পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়। এরপর ২০১৪ সালে শহরের গ্রীণ ভিউ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে গোল্ডেন এ প্লাস পেয়ে উত্তীর্ণ হয়। সর্ব শেষ এবছর নবাবগঞ্জ জেলা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। মাতৃ-পিতৃ হারা জীবনে এমন অদম্য শিক্ষার্থীর ¯^প্ন বড় হয়ে ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার। তার কি সেই ¯^প্ন পুরণ হবে কি! এলাকাবাসী জানায়, নাদিম মাহমুদ আমীন জন্মের পর থেকে লালিত-পালিত হয়েছে নানার বাড়িতে। বর্তমানে সে বৃদ্ধ নানীর সহায়তায় পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু একমাত্র বৃদ্ধা নানী আমীনের ভবিষ্যতের পড়াশোনা খরচ জোগাতে হিমশিম খাচ্ছে। এমন মেধাবী শিক্ষার্থী আমীনের ¯^প্ন পূরর্ণ করতে সমাজের বিত্তবান ও সরকারী-বেসরকারী সহযোগিতা প্রয়োজন। মাতৃ-পিতৃ হারা এক সন্তান ও মেধাবী শিক্ষার্থী নাদিম মাহমুদ আমীনের ভবিষ্যতের ¯^প্ন পূরণে পাশে দাঁড়ানো অতি প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *