Sharing is caring!

এবার খাদ্যে ভেজাল বন্ধের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

দেশে সুশাসন ও শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীশেখহাসিনাতাঁরবিগতমেয়াদেইজঙ্গি, সন্ত্রাসওমাদকেরবিরুদ্ধেঅভিযানেজিরোটলারেন্সনীতিপ্রয়োগকরেছিলেন।এরপরগত৩০ডিসেম্বরজাতীয়নির্বাচনেজয়েরমধ্যদিয়েটানাতৃতীয়বারেরমতোপ্রধানমন্ত্রীনির্বাচিতহন।নতুনমেয়াদেদায়িত্ব গ্রহণেরশুরুতেইসরকারিওবেসরকারিসর্বক্ষেত্রেদুর্নীতিরবিরুদ্ধেব্যবস্থানিতেসংশ্লিষ্টকর্তৃপক্ষকেআদেশদেনতিনি।যারফলেদেশজুড়েদুর্নীতিরবিরুদ্ধেচলছেধারাবাহিকঅভিযান।

এবার খাদ্যে ভেজাল দেয়াকে এক ধরণের দুর্নীতি আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণ মানুষের জীবন রক্ষার্থে খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল প্রদান বন্ধ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। খাদ্যে ভেজাল দেয়াটা কিছু কিছু শ্রেণীর একটি চরিত্রগত বদ অভ্যাস বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেছেন, ‘কোন বিষ খেয়ে আমাদের দেশের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হোক এটা আমরা চাই না। এটা বন্ধ করতে হবে। এই ভেজাল খাদ্য খেলেতো মানুষের উপকার নয়, অপকারই হয়।’

বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরায় ভেজাল বা বাসি খাবার বা পঁচা খাবার সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখানে নাগরিক সচেতনতা একান্তভাবে দরকার। জনগণ যদি সচেতন হয় তাহলে তাদেরকে এভাবে কেউ ঠকাতে পারবে না। সরকারের পক্ষ থেকে অভিযান পরিচালনার সাথে সাথে এসব বিষয়ে মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করা দরকার।’

প্রধানমন্ত্রীজানান, ইতোমধ্যেসরকারসন্ত্রাসেরবিরুদ্ধেঅভিযানচালিয়েসেখানেসফলতাঅর্জনকরেছি, আমরামাদকেরবিরুদ্ধেঅভিযানচালাচ্ছি।খাদ্যেভেজালদেয়াওএকধরণেরদুর্নীতি, এইদুর্নীতিরবিরুদ্ধেওআমরাঅভিযানঅব্যাহতরেখেছি।

তিনি বলেছেন, ‘দেশে ভেজাল খাদ্য বিরোধী অভিযান চলছে এবং এটিকে ভালোভাবে পরিচালনার জন্য আমরা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে নিয়ে একটি আলাদা কতৃর্পক্ষ করে দিয়েছি এবং তাদের লোকবলের যে সমস্যা রয়েছে সে সমস্যা আমরা দূর করে দেব। হাটে, মাঠে, ঘাটে সর্বত্রই যেন এই ভেজাল বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকে তার ব্যবস্থা আমরা নিচ্ছি এবং ভবিষ্যতেও নেব।

নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ অনুযায়ী দেশের মানুষকে নিরাপদ খাদ্য দেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বঙ্গবন্ধু কন্যা।

তিনি আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, ‘আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে আমরা পুষ্টিসমৃদ্ধ নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা বিধান করার কথা বলেছি। নির্বাচনী ইশতেহার যথাযথভাবে পূরণ এবং সেটা আমরা বাস্তবায়ন করবো। ভেজাল রোধে খাদ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বিশেষ ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা করা হবে। আমাদের একটি কেন্দ্রীয় ল্যাবরেটরি যেমন থাকবে তেমনি প্রতিটি বিভাগেও এর একটি করে শাখা থাকবে, যাতে করে যে কোন জায়গায় যেকোন ভেজাল খাবার সাথে সাথে আমরা পরীক্ষা করে দেখতে পারি।’

জঙ্গি, মাদক ও দুর্নীতির ছোবল থেকে মুক্তির পর এবার ভেজাল খাদ্যের অভিশাপ থেকে মুক্তির অপেক্ষায় বাংলাদেশ।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *