Sharing is caring!

এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কমছে

দারিদ্র্যতা, সফলতার পথে বাংলাদেশ

টানা তৃতীয়বারের মতো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসেছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার। দলটির এবারের নির্বাচনী ইশতেহারে অনেকটা জোর দিয়েই বলা হচ্ছিল যে দারিদ্র্য মুক্ত উন্নত দেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে এবারের নির্বাচনে লড়ছে তারা। অতীত উন্নয়ন ও সাফল্যের উপহারস্বরূপ জনগণও শেখ হাসিনাকে টানা তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। নতুন সরকার গঠনের মাস না পেরোতেই সুসংবাদ পেলো জাতি। যেখানে বলা হচ্ছে এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সফলতা দেখিয়েছে বাংলাদেশ। কমছে দারিদ্র্যতার হার।

সম্প্রতি প্রকাশিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে দেশে দরিদ্র ও অতি দরিদ্র মানুষের সংখ্যা অনেকটাই কমেছে। রোববার বাংলাদেশের অগ্রগতি নিয়ে তৈরিকৃত প্রতিবেদন ২০১৮ তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৫ সালে দরিদ্র সীমার নিচে বাস করত ২৪.৩ শতাংশ মানুষ, ২০১৭ সালের দারিদ্র্যের  হার কমে দাঁড়িয়েছে ২৩.১ শতাংশে। ২০১৫ সালে অতি দরিদ্র মানুষ ছিল ১২.৯ শতাংশ, ২০১৭ সালে তা কমে দাঁড়ায় ১২.১ শতাংশে।

এসডিজির মোট ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। সেগুলোও প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে অনেকগুলো ক্ষেত্রেই বেশ উন্নতি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।

সাধারণত এসডিজির বড় লক্ষ্য অর্জনে ব্যক্তি খাতের অবদানের গুরুত্বপূর্ণ। তবে কিছু ক্ষেত্রে তথ্যের অভাব রয়েছে। সারাদেশে এসডিজি অর্জনের তথ্য পেতে পরিসংখ্যানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

এ বিষয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘এসডিজির বড় লক্ষ্য অর্জনে ব্যক্তি খাতের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। দেশে ইন্টারনেটে ব্যাপক উন্নত হয়েছে। বিদ্যুতের উন্নতি অভাবনীয়। বিদ্যুতের সফলতা আমরা ভোটের মাঠে পেয়েছি।’

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের মাথাপিছু ও গড় আয়ু বেড়েছে। সার্বিক উন্নয়নের সুফল হিসেবেই এ অর্জন। মাথাপিছু আয়ে আমরা ভারত ও চীনের সমান, এটা গর্বের বিষয়।

অর্থনীতিবিদ ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ বলেন, এসডিজি অর্জনে ব্যাপক সাফল্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ। স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় ব্যয় বাড়ছে। তবে ট্যাক্স জিডিপি অনুপাত বাড়ছে না। এর পরেও আর্থ-সামাজিক খাতে বাংলাদেশের উন্নতি উৎসাহব্যাঞ্জক। পুষ্টি উন্নয়নে আরও গুরুত্ব দিতে হবে, উৎপাদনের উৎকর্ষ, ব্যয় কমানোতে গুরুত্ব দিতে হবে। গুণগত শিক্ষার উন্নয়ন দরকার।

বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক মিয়া সিপ্পো বলেন, ‘প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে হবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সক্ষমতা বাড়াতে হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের চলমান কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে।’

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *