Sharing is caring!

করোনা সামগ্রী ও রোগী নিয়ে দূর্ণীতি

গোমস্তাপুর স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ

♦ গোমস্তাপুর প্রতিনিধি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: সারওয়ার জাহানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দূর্নীতির গুরুত্বর অভিযোগ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি উপ-পরিচালক রাজশাহী বরাবর করা ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার সালাউদ্দিনের লিখিত অভিযোগে তার নানা অনিয়ম ও দূর্নীতির ঘটনা উঠে এসেছে।

 

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, করোনাকালে সিএইচসিপি ও স্বাস্থ্য সহকারিদের বরাদ্দের সুরক্ষা সামগ্রী লোপাট এবং করোনা রোগী ভর্তি না করেও হাসপাতালে ভর্তি দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ, ভেষজ গাছ কেটে বাগান তৈরী, হোম কোয়ারেন্টিনে সুস্থ্য হওয়া করোনা রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি দেখিয়ে থোক বরাদ্দর টাকা আত্মসাৎ, বরাদ্ধকৃত ৬’শ পিপিই বিক্রি করে ১২ লাখ আত্মসাৎ, এসি মেরামতের নামে কোটেশন দেখিয়ে ২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা আত্মসাৎসহ বিভিন্ন গুরুত্বর অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

এছাড়াও জঙ্গি মামলার আসামী ও নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে বরখাস্তকৃত দুই কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারকে (উপ-সহকারি) আইন লঙ্ঘণ করে টাকার বিনিময়ে স্বপদে বহাল, সরকারি গাড়ির অপব্যবহার, ষ্টাফদের বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগে বদলী, হুমকি-ধামকি, টেন্ডার ছাড়াই আম ফলবিক্রি ও পুকুর লিজে অনিয়ম ও দূর্ণীতির ব্যাপক অভিযোগও উঠে আসে। গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ সারওয়ার জাহান সরকারিভাবে নিজ অফিস কক্ষ ও বাসভবনে এসি ব্যবহারের অনুমতি না থাকলেও হাসপাতালের ওটি, এক্সরে ও আল্ট্রাসনোগ্রাফি রুম থেকে ৫ টি এসি খুলে নিজ অফিস কক্ষ, বাসভবন, ডাক্তারদের রেস্টরুম ও আরএমও’র রুমে এসব এসি লাগিয়েছেন।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, ‘রক্ষক যখন-ভক্ষক’ হয় এবং নিজ ঘরেই যখন ভুত থাকে’ তখন অভিযোগ হয়, তদন্ত হয়, আবার কোথায় যেন হারিয়ে যায়। অভিযোগকারীই উল্টো হয়রানীর শিকার হয়। এজন্যই অনিয়ম-দূর্ণীতিকারীরা বীর দর্পে দূর্ণীতি-অনিয়ম করে যাচ্ছে। গোমস্তাপুরের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিষয়টাও অনেকটায় সেরকমই। তবে শেষ পর্যন্ত কি হয়, সেটা দেখার অপেক্ষায় থাকতে হবে সাধারণ মানুষকে। ডাঃ সারওয়ার জাহান গত ফেব্রুয়ারী মাসে গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদানের পর থেকেই তার স্বেচ্ছাচারিতা ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজেকে জড়িয়েছেন একের পর এক অনিয়ম ও দূর্নীতিতে। আর এসব অনিয়ম ও দূর্নীতির তদন্ত চেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগও করেছেন বঞ্চিত সিএইচসিপি, স্বাস্থ্য সহকারি, হাসপাতালের আবাসিক চিসিৎক এবং এলাকাবাসী। জাতীয় টিকাদান কর্মসূচীতে গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর বাজারের ইউনুস আলী মাষ্টার কেন্দ্রে স্বাস্থ্য সহকারিদের সুরক্ষা সামগ্রী ছাড়াই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনাকালে শিশুদের টিকা প্রদান করতে দেখেন এলাকাবাসী। একই চিত্র উপজেলার ৩৩টি কমিউনিটি ক্লিনিকের। যেখানে সংক্রমনের ঝুঁকি নিয়েই সেবা দেন সিএইচসিপি ও স্বাস্থ্য সহকারিরা।

কমিউনিটি ক্লিনিকে শিশুদের টিকা প্রদান কাজে নিয়োজিত সিএইচসিপি সদস্যদের মধ্যে কয়েকজন জানান, করোনাকালে সরকারের দেয়া স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী (বরাদ্দকৃত ৫ টি পিপিই, ১০ টি মাস্ক, ২০ টি গ্লোভস, হ্যান্ড স্যানিটাইজার)) বার বার চাওয়া হলেও তা দেননি ডাঃ সারওয়ার জাহান। উল্টো বলেন, তাদের নামে কোনো সুরক্ষা সামগ্রী বরাদ্দ হয়নি। তাদের অভিযোগ পরবর্তীতে আমরা জানতে পারি বরাদ্দকৃত এসব সুরক্ষা সামগ্রী হাসপাতালের ষ্টোররুমে না রেখে বাসভবনে রেখে লোপাট করার অভিযোগ পাওয়া যায়। তার এসব অনিয়ম-দূর্ণীতির তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ হেলথ এ্যাসিসটেন্ট ও উপজেলা সিএইচসিপি এ্যাসোসিয়েশনের নেতারা। গোমস্তাপুর উপজেলা সিএইচসিপি এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আহম্মেদ রুশদি জানান, করোনাকালে আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এখন পর্যন্ত মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছি। অথচ জেলার অন্যান্য উপজেলা বরাদ্দকৃত সুরক্ষা সামগ্রী পেলেও আমরা পাইনি। এ বিষয়ে আমরা বার বার ইউএইচএফপিও ডা. সারওয়ার জাহান, সিভিল সার্জন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অবহিত করলেও এখন পর্যন্ত তা পাইনি। আমরা চাই এ ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত। বাংলাদেশ হেলথ এ্যাসিসটেন্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি নিয়ামতুল্লাহ জানান, ‘সুরক্ষা সামগ্রী ছাড়া খুবই ঝুঁকিপূণ অবস্থায় শিশু ও মহিলাদের টিকা প্রদান করলেও আমাদের বরাদ্দকৃত সুরক্ষা সামগ্রী উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বার বার বলার পরও দেননি। অথচ আমাদের নামে ঠিকই বরাদ্দ এসেছে।

অভিযোগে জানা যায়, মার্চ-এপ্রিল মাসে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের ৬/৭ টি সেকশন, কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি এবং অনুদানকৃত পিপিই মিলিয়ে ৬’শর অধিক পিপিই তিনি লোপাট করেছেন। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ ওই সময় বাজারে পিপিই সরবরাহ কম এবং চাহিদা বেশি থাকায় প্রতিটি পিপিই’র মূল্য নূন্যতম ২ হাজার টাকা করে হলেও ৬০০ পিপিই বাবদ ১২ লাখ টাকা এবং অন্যান্য সুরক্ষা সামগ্রী থেকে আরও প্রায় ৫ লাখ মোট ১৭ লক্ষ টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছেন। হোম কোয়ারেন্টিনে সুস্থ্য হওয়া করোনা রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি দেখিয়ে থোক বরাদ্দের ৩ লাখ টাকা আত্মসাতের এর সত্যতাও নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও)। আর এ ধরনের ঘটনায় বিষ্ময় প্রকাশ করেছেন রোগীরা। অভিযোগকারী আরএমও ডা. সালাহ উদদীন আহম্মেদ জানান, টিএইচও ডাঃ সারওয়ার জাহান উর্দ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে নিজের ভাবমূর্তি তুলে ধরতে, হোম কোয়ারেন্টিনে সুস্থ্য হওয়া করোনা আক্রান্ত রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি দেখিয়ে বরাদ্দকৃত ৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেন। কাগজে কলমে হাসপাতালে রোগী ভর্তি দেখানো হলেও বাস্তবে কোনো করোনা রোগী হাসপাতালে ভর্তিই ছিলনা। ভর্তি দেখানো করোনা রোগীদের কয়েকজন হাসপাতালের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তারা হোম কোয়ারেন্টিনে সুস্থ্য হয়েছেন। কখনোই তারা হাসপাতালে ভর্তি হননি এবং কোনো ধরনের সেবা নেননি। তারা বলেন, কিভাবে হাসপাতালের অফিস প্রধান করোনা পজেটিভ রোগীকে নিয়ে এ ধরনের মিথ্যা, জালিয়াতি রির্পোট প্রদান করেন। আমরা তার অনিয়ম-দূর্নীতির বিচার চাই। শুধু সুরক্ষা সামগ্রীই নয় ডা. সারওয়ারের স্বেচ্ছাচারিতা, ক্ষমতার অপব্যবহার ও দূর্নীতির আরও প্রমান মেলে, ফুলের বাগান গড়তে ধ্বংস করেছেন হাসপাতালের সরকারি ভেষজ বাগান। যেখানে ছিলো, মূল্যবান হরতকি, শতমূলী, বহেড়া, আসামলতা, নাগফনীসহ প্রায় ৫০ জাতের ওষুধী গাছ। তিনি কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই সেসব গাছ কেটে ধ্বংস করেন। বাগানের দায়িত্বে থাকা হারবাল এ্যাসিসটেন্ট তরিকুল ইসলাম জানান,‘১৭ বছর ধরে গড়ে তোলা ভেষজ বাগানটি অসৎ উদ্দেশ্যে একক ক্ষমতাবলে ধ্বংস ফুলের বাগান গড়ে তুলেন। উল্টো তিনি আমাকে বলেন, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জিজ্ঞেস করলে মিথ্যে দিয়ে বলবে, ‘আম্পান ঝড়ে ভেষজ বাগান ভেঙ্গে গেছে। আমি আমার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এএমসিকে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি এ ঘটনার সুষ্ঠ তদন্তের জন্য। হাসপাতালের আরএমও ডা. সালাহ উদদীন আহম্মেদ জানান, ‘হাসপাতালের সীমানা প্রাচীরের ভেতর চমৎকার একটি ভেষজ বাগান ছিলো। অথচ ফুলের বাগান গড়তে কাউকে না জানিয়ে সরকারি ভেষজ বাগানটি ধ্বংস করেন ইউএইচএফপিও। তিনি বলেন,‘ভেষজ বাগানটি ধ্বংস না করে অন্য জায়গায় ফুলের বাগান তৈরি করা যেত। ভেষজ বাগানটি রক্ষা করা বেশি প্রয়োজনীয় ছিলো ফুলের বাগানের চাইতে।’ এছাড়াও সরকারিভাবে নিজ অফিস কক্ষ ও বাসভবনে এসি ব্যবহারের অনুমতি না থাকলেও অভিযোগ হাসপাতালের লেবার রুম, ওটি, এক্সরে ও আল্ট্রাসনোগ্রাফি রুম থেকে ৫ টি এসি খুলে নিজ অফিস কক্ষ, বাসভবন, ডাক্তারদের রেস্টরুম ও আরএমও’র রুমে এসব এসি প্রতিস্থাপন করেন ডা. সারওয়ার জাহান। এতে ব্যক্তিগত ব্যবহারের কারণে বিদ্যুৎতের অপচয় ও সরকারের আর্থিক ক্ষতি সাধন হচ্ছে। আর এসব এসি মেরামতের নামে কোটেশন দেখিয়ে লোপাট করেছেন ২ লাখ ৬৫ হাজার টাকাও। আর এই কোটেশন বিলে সাক্ষর করতে আপত্তি জানিয়েছেন খোদ কোটেশন কমিটির সদস্য হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সালাহ উদদীন। এ জন্য তাকে আরএমও‘র পদ থেকে সরিয়ে অপেক্ষাকৃত জুনিয়র চিকিৎসক হাসান ইমামকে আরএমওর দায়িত্ব প্রদান করেন। পরে তিনি ভূল বুঝতে পেরে তাকে পূর্ণবহাল করলেও এখনও দায়িত্ব দেয়া হয়নি। এ বিষয়ে ডা. সালাহ উদদীন জানান,‘ ডেল্টাল চেয়ার, ইসিজি, আল্ট্রাসনোগ্রাফি, এসি প্রভৃতি মেডিকেল যন্ত্রপাতি মেরামত করার জন্য ‘নিমিউ’ এবং‘ গণপূর্ত’ নামক সরকারি প্রতিষ্ঠান আছে। তারাই নিধার্রণ করবে কোন যন্ত্রটি নষ্ট এবং কোনটি ঠিক আছে। এক্ষেত্রে তিনি সরকারি আদেশ অগ্রাহ্য করে নিজেই অর্থ আত্মসাৎতের জন্য অবাস্তব এই কোটেশন করেন এবং বিল ভাউচারে আমাকে সাক্ষর করতে বললে আমি তা করিনি। পরবর্তীতে তিনি আমাকে কোটেশন কমিটি থেকে বাদ দিয়ে তার পছন্দের লোককে কমিটির সদস্য বানিয়ে ২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন। ডাঃ মোহাম্মদ সারওয়ার জাহান এর বিরুদ্ধে জঙ্গি মামলার আসামী ফারিকুল ইসলাম (জঙ্গিবাহিনী আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য। ফোজদারি মামলা চলমান এবং দুই দফায় জেলও খেটেছেন) ও নির্বাচনে অনিয়মের দায়ে আব্দুস সামাদ নামে সাময়িক বরখাস্তকৃত দুই উপ-সহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসাকে নিয়মনীতি উপেক্ষা করে টাকার বিনিময়ে স্বপদে বহাল করারও গুরুত্বর অভিযোগ উঠেছে। ফারিকুল ও আব্দুস সামাদ এর কাজে যোগদানের বিষয়টি সিভিল সার্জন ডাঃ জাহিদ নজরুল চৌধুরি ও টিএইচও ডাঃ সারওয়ারের মৌখিক নির্দেশেই হয় বলেও জানা যায়। এ বিষয়ে ডা. সারওয়ার জাহান তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সকল কার্যক্রমই সিভিল সার্জনকে জানানো হয় এবং তার নির্দেশেই আমি এ সকল কাজ করেছি। তিনি বলেন, যেহেতু আমার বিরুদ্ধে তারা যেসব অভিযোগ করেছে, তা আমার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তদন্ত করছেন, সেজন্য আমি আর এসব বিষয় নিয়ে কথা বলতে চাইনা। কথা প্রসঙ্গে তিনি অত্যন্ত দম্ভের সাথেই বলেন, সাংবাদিক ও পুলিশের সাথে সখ্যতা এবং টাকা থাকলেই সব কিছুই করা যায়। এসব অভিযোগ করে কি আর হবে? সময়ে দেখা যাবে, কার দৌড় কত? চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. জাহিদ নজরুল চৌধুরী গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে জানান, ৩ সদস্য বিশিস্ট তদন্ত কমিটি করা হয়েছে, খুব শীঘ্রই এসব বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিতর্কিত ও বরখাস্তকৃত কর্মকর্তাকে স্বপদে বহালের বিষয়ে সিভিল সার্জনের মৌখিক নির্দেশনার বিষয়ে জানতে চাইলে, সিভিল সার্জন বলেন, বললেই তো হবে না, বিষয়টি অবশ্যই গুরুত্বের সাথে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। তদন্ত শুধু তদন্তই, নাকি, প্রমানিত হলে ব্যবস্থা হবে, এমন প্রশ্নে সিভিল সার্জন বলেন, শুধু ডা. সারওয়ার জাহানই নয়, তদন্তে যেই দোষী সাব্যস্ত হবে, তারই বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *