Sharing is caring!

কানসাট ইউপি চেয়ারম্যানের উদ্যোগে বিভিন্ন

সহায়তা বিতরণ

♦ স্টাফ রিপোর্টার 

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ঐহিত্যবাহী একটি ইউনিয়ন কানসাট ইউনিয়ন। দীর্ঘদিন এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালনকালে মো. বেনাউল ইসলাম কানসাট ইউনিয়নের অসহায়, দুঃস্থ ও সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। হাত বাড়িয়েছেন সরকারের পাশাপাশি ব্যক্তি উদ্যোগে বিভিন্ন সহায়তার। বর্তমানে প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসে মানুষ যখন দূর্যোগের মধ্যে, তখনই তিনি এগিয়ে এসেছেন। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে কানসাট ইউনিয়নে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। মঙ্গলবার তিনি বাড়ি বাড়ি গিয়ে ইউনিয়নের কর্মহীন, অসহায়, দরিদ্র, দুঃস্থ মানুষের কাছে পৌছে দিয়েছেন সরকারীভাবে বরাদ্দ পাওয়া চাল। নিজ অর্থায়নে ও উদ্যোগে করোনা প্রতিরোধে ‘মাস্ক’, লিফলেট এবং সাবান। বিতরণকাজে অংশ নেয় ওয়ার্ড সদস্যগণ, অন্যান্য ওয়ার্ড সদস্যগণ, ইউনিয়ন যুবলীগের নেতৃবৃন্দ ও গ্রাম পুলিশের দল। কানসাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. বেনাউল ইসলাম জানান, সব সময়ই জনগণের পাশে ছিলাম। সকল দূর্যোগেই সাধারন মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সহায়তা করেছি সামর্থমত। বর্তমানে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধেও সাধারন মানুষকে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। সরকারী সহায়তার পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবে সহায়তা করে যাচ্ছি। সব সময়ই জন সাধারণের পাশে থাকবো, ইনশাল্লাহ। তিনি আরও জানান, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু করেছি চাল, ‘মাস্ক’, লিফলেট এবং সাবান বিতরনের কাজ। চাল সরকারী বরাদ্দ। ‘মাস্ক’, লিফলেট এবং সাবান নিজ অর্থায়নে। কানসাট ইউনিয়নের মানুষকে করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষায় ইউনিয়নে ৫ হাজার ‘মাস্ক’, ৫ হাজার সাবান এবং ১ হাজার লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে চাল বিতরণ করা হয়েছে ৪৩৮ জনকে। অনদিকে, কয়েকদিন ধরেই প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারী নির্দেশনার পাশাপাশি নিজ উদ্যোগে এলাকার মানুষকে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচাতে নিজেই পরিষদের সদস্যদের নিয়ে বিøচিং পাউডার দিয়ে জীবানুনাশক স্প্রে করে বেড়িয়েছেন চেয়ারম্যান মো. বেনাউল ইসলাম। কানসাট ইউনিয়নের কানসাট বাজারের চাল, মাছ, কাঁচা বাজারসহ বিভিন্ন ড্রেন, আব্বাস বাজার, বিয়েন বাজার, নতুন বাজার, পঁচা বাজার, মহিলা বাজার, মেঘু বাজারসহ ইউনিয়নের সকল বাজার, ড্রেন বিøচিং পাউডার দিয়ে স্প্রে করিয়েছেন। উল্লেখ্য, জেলার এই ঐতিহ্যবাহী ইউনিয়নের লোকসংখ্যা ৪০ হাজার ৩৪৫ জন, ভোটার ২৮ হাজার এবং পরিবার ১০ হাজার ২৪৯টি।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *