Sharing is caring!

মোঃ আজিজুল ইসলাম \ চায়না ও ভারত থেকে আসা কৃত্রিম মুরগির ডিমে রাজশাহীর বাজার সয়লাভ। এইসব কৃত্রিম ডিম মহানগরির পাড়া-মহল্লার দোকানে দোকানে বিক্রি করছে দোকানিরা দেদারসে। তবে দোকানিরা জানেন না তারা কৃত্রিম ডিম বিক্রয় করছেন। প্রাকৃতিক ডিম ভেবেই বিক্রি করছেন। দোকানিরা যেখান থেকে ডিম কিনছে সেখান থেকেই দিয়ে দেওয়া হচ্ছে এইসব কৃত্রিম মুরগির ডিম। কৃত্রিম ডিম খেয়ে প্রতিনিয়ত অসুস্থ হয়ে পড়ছে মানুষ। যানা যায়, গত বৃহস্পতিবার মহানগরির টিকাপাড়া এলাকার একটি দোকান থেকে একহালি ডিম কিনেন জনৈক হামিদুল ইসলাম। তিনি ডিমটি রান্নার জন্য হাতে নিলে দেখেন ডিমটির রং সাদা, আকারে ডিমের মত নয়। একটু বাঁকা-টেঁরা। দেখতে অনেকটা হাত-পা ভাংগা পলেস্তার করলে পলেস্তারের গা যেমন অমসৃণ অনুরুপ ডিমের গা অমসৃণ। তিনি ডিমটি রান্না না করে স্থানীয়দের দেখান। ডিমটি দেখতে ভীড় জমায় এলাকাবাসি। পরে ডিমটি ভেঙ্গে দেখেন ডিমের কুসুমের রং থাকলেও কুসুম ও সাদা অংশ পানির মত টেলটেলে এবং ডিমের কোন গন্ধ নেই। ডিমের কুসুম ও সাদা অংশ পেলপেলে ও আটাযুক্ত নয়। এর আগে পহেলা অক্টোবর পবিত্র আশুরার দিন মহানগরির কাজিহাটা এলাকার মুন্নার স্ত্রী রোজী কৃত্রিম ডিম খেয়ে পায়খানা ও বমি করতে করতে অসুস্থ হয়ে পরে। পরে তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এইসব কৃত্রিম ডিম চায়না ও ভারত থেকে আসার পাশাপাশি নাটোরে কৃত্রিম ডিমের কারখানা রয়েছে বলে জানা যায়। ভুক্তভোগিরা দাবী জানিয়েছেন, অবিলম্বে এইসব ডিম বিক্রি ও উৎপাদন সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে স্বাস্থ্যগত বিপর্যয় নেমে আসবে দেশে।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *