Sharing is caring!

খালেদার মুক্তির নতুন শপথে আস্থা

নেই তৃণমূলের!

কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে নতুন করে শপথ নিয়েছে বিএনপি। কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতাদের এই শপথ নতুন নয়, এর আগেও বেশ কয়েকবার এরকম শপথ বাক্য উচ্চারণ করেও বিশেষ কোনো অগ্রগতি দেখাতে পারেনি নেতারা। ফলে নতুন করে নেতাদের খালেদা জিয়ার মুক্তির শপথে আস্থা রাখতে পারছে না তৃণমূল।বৃহস্পতিবার (৩০ মে) দলটির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৩৮তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গিয়ে খালেদামুক্তির শপথ নেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীরা। কেন্দ্রের উদ্যোগ বিষয়ে তৃণমূলের মতামত যাচাই করতে গিয়ে দেখা গেছে উল্টো চিত্র। তারা বলছেন, বিগত সময়ে খালেদামুক্তির আন্দোলন-কর্মসূচিতে তৃণমূলের ব্যাপক আগ্রহ থাকলেও তাতে কেন্দ্রীয় নেতার কান না দেয়ায় এ বিষয়ে আস্থা হারিয়ে ফেলে দলের কর্মীরা। ফলে নতুন করে কর্মীদের উজ্জীবিত করে এক প্লাটফর্মে দাঁড় করানো সহজ হবে না।

এ বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাহের চৌধুরী শামীম বলেন, ম্যাডামের মুক্তি জন্য কেন্দ্রীয় নেতাদের নতুন শপথের কথা জেনেছি। কিন্তু তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে এ নিয়ে নতুন করে কোনো উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। এর একমাত্র কারণ, বিগত সময়ে বিভিন্ন সময় আন্দোলন-কর্মসূচির ডাক দিয়েও তা সফল করতে পারেনি নেতারা। কর্মসূচির ডাক খবরের পাতায় থেকে গেছে, রাজপথ পর্যন্ত যেতে পারেনি। ফলে এসব ঘটনা থেকে কর্মীদের মধ্যে যে অনাস্থা তৈরি হয়েছে তা সহজে কাটিয়ে ওঠার নয়।

একই মতামত পোষণ করছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের অনেকেই। এ বিষয়ে দলটির স্থায়ী কিমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, শুনতে খারাপ লাগলেও এটি সত্য যে বিভিন্ন ইস্যুতে আন্দোলন-কর্মসূচির জন্য মুখিয়ে থাকা কর্মীরা এখন নিরাশ। এমন অবস্থা তৈরি হওয়া দলের জন্য শুভ নয়। বর্তমান প্রেক্ষাপটে তৃণমূল নেতাকর্মীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে দলের যে মনোবল দরকার তা আসলে সঞ্চার করাটাই জরুরি। এককথায়, হারানো আস্থা তৃণমূল নেতাদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে নাইলে কোনো শপথই কাজে আসবে না।

এদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, দলের চেয়ারপারসনকে মুক্ত করার জন্য আন্দোলন চট্টগ্রাম থেকে শুরু হবে। এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, উদ্যোগটি নিঃসন্দেহে ভালো। কিন্তু যাকে নিয়ে আন্দোলনে নামবেন তারা প্রস্তুত কিনা তাই ভাববার বিষয়। যেখানে আমাদের দুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে আছে।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *