Sharing is caring!

গুজব ছড়ানোর দায়ে গ্রেপ্তার ১১৮

নিউজ ডেস্ক: গুজবে কান না দিয়ে জনগণকে সচেতন হবার জন্য আহ্বান জানিয়েছে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী। দেশে একদল মানুষ এমন কাজ করে জনসাধারণের মাঝে একটি আতঙ্কের পরিবেশ গড়ে তুলেছে এবং এই আতঙ্ক যেন আরো বিস্তার না করতে পারে তার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে চলছে প্রশাসন। পদ্মা সেতু নির্মাণে মাথা লাগবে-এমন গুজব ছড়ানোর পর সারাদেশে ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনিতে অনেক নিরীহ মানুষের প্রাণ গেছে। এমন যেন আর না হয় এটি রুখতে এ পর্যন্ত ১১৮ জন গুজব রটনাকারীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।জাতীয় শোক দিবস পালন-সংক্রান্ত সার্বিক নিরাপত্তা বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্টদের প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল এসব কথা জানান।

গুজব বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এ দেশের ভালো হোক, এ দেশ এগিয়ে যাক এটা অনেকেই চান না। স্বাধীনতার সময়ে যারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল তারাই আমাদের দেশের ক্ষতি করার জন্য অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টিতে তৎপর থাকে। তবে এগুলোকে আমরা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আনতে পেরেছি। জনগণ তাদের আসল রূপটা বুঝতে পেরেছে। তাই জনগণ তাদের এসব কর্মকাণ্ড বা গুজব বিশ্বাস করে না।’

গুজবের ঘটনা এখন নিয়ন্ত্রণে কি না? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘সেই চিহ্নিত লোকগুলোই গুজব করছেন। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যবস্থা নিচ্ছে। ১০০ জনের বেশি গুজব রটনাকারীকে আমরা ধরে ফেলেছি। গুজব ধীরে ধীরে কমে আসছে। এটা আরও কমে যাবে। কারণ সাধারণ জনগণ এগুলোকে বিশ্বাস করে না।’

এ ধরনের গুজব সৌদি আরব থেকে রটানো হচ্ছে- এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিদেশি কোনো শক্তি আমাদের দেশে এ ধরনের ঘটনা ঘটায় না। আমাদের দেশের কিছু দুষ্কৃতকারীই এটা করে। আমরা যখন তাদের চিহ্নিত করি তখন তারা বিভিন্ন কৌশলে দেশ ত্যাগ করে। তারা বিদেশে গিয়েও এ ঘটনাগুলো ঘটাচ্ছে। তাদের আইনের আওতায় আনার জন্যও দেশে নিয়ে আসছি। যেখানেই তারা অবস্থান করুক তাদের চিহ্নিত করে দেশে এনে আইনের আওতায় নিয়ে আসব। দেশের বিরুদ্ধে কাজ করতে কাউকে অ্যালাও করব না।’

এদিকে এখন পর্যন্ত গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী শোক দিবস ও ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে নাশকতার কোনো আশঙ্কা নেই বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *