Sharing is caring!

গুজব রোধে হার্ডলাইনে সরকার!

নিউজ ডেস্ক: রাজধানীসহ সারা দেশে ছেলেধরা সন্দেহে গুজব রটাচ্ছে একটি বিশেষ চক্র। জানা গেছে, কেবল দেশে নয় দেশের বাইরে থেকেও একটি বিশেষ উদ্দেশ্যে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। গুজব প্রচারের কারণে এ পর্যন্ত বেশ কয়েকজনকে গণপিটুনির শিকার হতে হয়েছে। আর তাই এই অপতৎপরতা রুখে দিতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার।এরইমধ্যে পুলিশ-র‌্যাব ছাড়াও ৬১ হাজার আনসার সদস্যদের সারা দেশে মাঠপর্যায়ে কাজ করে তথ্য অনুসন্ধান, গুজবকারীদের চিহ্নিত ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে নিয়োজিত করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, ছেলেধরা সন্দেহে মানুষ হত্যা রোধে বসে নেই আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। প্রত্যেক জেলার এসপি ও ডিসিকে গুজবের নামে মানুষ হত্যা বন্ধে শক্ত অবস্থানে থাকতে বলা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, গুজব ও গণপিটুনির ঘটনায় সারা দেশে ৩১টি মামলায় এ পর্যন্ত ১০৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া মাথা কাটার গুজব ছড়ানোর কাজে ব্যবহৃত ৬০টি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও ২৫টি ইউটিউব লিংক এবং ১০টি ওয়েব পোর্টাল বন্ধ করা হয়েছে।

পাশাপাশি সাইবার জগতে যারা গুজব উদ্দেশ্যমূলকভাবে ছড়িয়ে দিতে সক্রিয় আছে তাদের নজরদারিতে রেখেছে র‌্যাব। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের গুজব সম্পর্কিত প্রত্যেকটি বিষয় মনিটরিং করা হচ্ছে। মনিটরিংয়ের আওতায় আসছে ফেসবুক, টুইটার ও ইউটিউব ব্লগ, যাতে কোনভাবেই ছেলেধরা সংক্রান্ত কোনো গুজব না ছড়িয়ে পড়ে। যে ব্যক্তি গুজব ছড়াবে তাৎক্ষণিকভাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেয়া নির্দেশনা অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং কাজ করে যাচ্ছে। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, সম্প্রতি গুজব একটি সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। যারা এর সঙ্গে যুক্ত আছেন তারা বিশেষ একটি মহলের হয়ে কাজ করছে। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে এরইমধ্যে শনাক্ত করার পাশাপাশি আইনের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। যেকোনো মূল্যে এই সামাজিক অবক্ষয় রোধে সরকারের দেয়া নির্দেশনা মোতাবেক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *