Sharing is caring!

গোদাগাড়ী প্রতিনিধি \ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় ভুয়া অবৈধ সমিতির নামে অনুমোদন হওয়া খাস পুকুর লীজ বাতিলের জন্য উপজেলা জলমহাল ব্যাবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছে উপজেলার কাজিপাড়া গ্রামের মৎস চাষী তোফাজ্জল হোসেন, বাবলু ডাক্তার, বিশ্বনাথপুর গ্রামের মৎসচাষী মাসুদ ও সমাসপুরের মৎসচাষী রমজান আলী। গত ৫ ও ১২ মে তারা চারটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, গোদাগাড়ী উপজেলা জল মহল কমিটি গত ১৪২২ হইতে ১৪২৪ সন মেয়াদে চুড়ান্ত তালিকার ক্রমিক নং-৯০, মৌজা মুজকুড়ি গোবিন্দপুর, জেএল নং-৩৩, দাগ নং ৬৫, পরিমান ১.০৩ পুকুরটি পালপুর দক্ষিনপাড়া মৎসচাষী স.স.লিঃ, গোদাগাড়ী। চুড়ান্ত তালিকার ক্রমিক নং-১৮৪, মৌজা আই হাই, জেএল নং-৬৭, দাগ নং ৫০০, পরিমান ১.৫০ পুকুরটি উত্তর রসুলপুর কলোনী মৎসচাষী স.স.লিঃ, গোদাগাড়ী। চুড়ান্ত তালিকার ক্রমিক নং-১৮৮, মৌজা দিগ্রেইন, জেএল নং-৩৩, দাগ নং ২০১, পরিমান ১.১৭ পুকুরটি পালপুর দক্ষিনপাড়া মৎসচাষী স.স.লিঃ, গোদাগাড়ী। চুড়ান্ত তালিকার ক্রমিক নং-৭৭, মৌজা দুর্গাপুর, জেএল নং-২০৭, দাগ নং ৬২, পরিমান ৩.৯৩ পুকুরটি পাহাড় পুর মৎসচাষী স.স.লিঃ, গোদাগাড়ী। চুড়ান্ত তালিকার ক্রমিক নং-৭৮, মৌজা জাহানাবাদ, জেএল নং-১৭৯, দাগ নং ৩০, পরিমান ১.৬০ পুকুরটি পাহাড়পুর মৎসচাষী স.স.লিঃ, গোদাগাড়ী। চুড়ান্ত তালিকার ক্রমিক নং-৮৯, মৌজা মুজকুড়ি গোবিন্দপুর, জেএল নং-৩৩, দাগ নং ১৫৪, পরিমান ২.০৪ পুকুরটি পালপুর উত্তরপাড়া মৎসচাষী স.স.লিঃ, গোদাগাড়ী। চুড়ান্ত তালিকার ক্রমিক নং-২২, মৌজা নিয়ামতপুর অলি, জেএল নং-২০৮, দাগ নং ১২, পরিমান ১.৯২ পুকুরটি উত্তর রসুলপুর কলোনী মৎসচাষী স.স.লিঃ, গোদাগাড়ী। চুড়ান্ত তালিকার ক্রমিক নং-৬৫, মৌজা মধ্য শাওলা, জেএল নং-২১২, দাগ নং ৬৭, পরিমান ১.৯৫ পুকুরটি ভগবন্তপুর  মৎসচাষী স.স.লিঃ, গোদাগাড়ী। চুড়ান্ত তালিকার ক্রমিক নং-৭৫, মৌজা নিয়ামতপুর অলি, জেএল নং-২০৮, দাগ নং ৮১, পরিমান ১.২৭ পুকুরটি মেডিকেল মোড় মৎসচাষী স.স.লিঃ, গোদাগাড়ী। পুকুর গুলো ভুয়া সমিতির নামে সিএস অনুমোদন দিয়ে চুড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করে দলিল সম্পাদনের নির্দেশ দেন। তফসিল বর্নিত পুকুর গুলো স্থানীয় বিভিন্ন মৎসজীবি এবং মৎসচাষি সমিতির নামে দরপত্র দাখিল করলেও জলমহল কমিটি ভুয়া সমিতির নামে অনুমোদন দেন। অথচ ২০০৯ সালের নীতিমালার ৫ নং ধারার ‘চ’ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্থানীয় মৎসজীবি ও মৎসচাষি সমবায় সমিতির জলমহলের নিকটবর্তি/তীরবর্তি হওয়ায় অগ্রাধীকার পাওয়ার কথা। কিন্তু জল মহল কমিটি উক্ত ধারা লংঘন করে ভুয়া সমিতির নামে লীজ দিয়েছেন। অভিযোগে আরো বলা হয় উপজেলা সমবায় অফিসের অসাধু সহকারী পরির্দশক খাইরুল ইসলাম এ ভুয়া সমিতি গুলো তৈরী করে। সমাসপুরের মৎস চাষী রমজান আলী বলেন, বাসুদেবপুর ইউপির কিসমত মলদেবপুর মোজার ১৬৭ জেএলএর ৩২ নং দাগের ০.৬৩ পরিমানের পুকুরটি বাংলা ১৪২৩ সন পর্যন্ত লীজ নেওয়া ছিল। সময় অতিবাহিত না হতেই তালিকায় না তুলে পুকুরটি নবগ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আফতাব উদ্দিন মিন্টুকে লীজ দিয়ে দিয়েছে। প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট ৫মে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাঃ খালিদ হোসেন বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *