Sharing is caring!

গোদাগাড়ীতে আমন ধানে পোকা : দিশেহারা কৃষক

♦ গোদাগাড়ী প্রতিনিধি

গোদাগাড়ীতে আমন ধানে খোল পচাঁ ও বাদামী ফড়িং (ফুদকি) পোকার আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষক। সরজমিনে দেখা গেছে, অনেক ধান ¶েত কারেন্ট পোকার আক্রমনে ঝলসে গেছে। এতে করে আমন ধানের ফলন কমে যাওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। কৃষকরা জানান, ধান ¶েতের মোড়ক প্রতিরোধ করতে না পারলে আমরা চরম ¶তির সম্মখীন হব, বাজারের কীটনাশক ব্যবহার করেও কোন ফল পাচ্ছি না। চারার গোড়াই পচন রোগ ও ধান গাছের বিভিন্ন অংশে বাদামী ফড়িংয়ের আক্রমন দেখার পর থেকেই কীটনাশক স্প্রে করা হচ্ছে। কিন্তু খোল পচা রোগ ও বাদামী ফড়িং পোকা দমন হচ্ছে না। গোদাগাড়ী উপজেলার ভানপুর গ্রামের কৃষক শহিদুল জানান, সে প্রায় ১০ বিঘা জমিতে আমন চাষ করেছে, এর মধ্য বেশ কিছু জমিতে রোপনকৃত ব্রি ৫১ ধানে বাদামী ফড়িং পোকা আক্রমন করেছে। কীটনাশক ব্যবহার করেও কোন ফল পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি আরো জানান, গত চার সপ্তাহ আগে আমনে পোকা দেখা দিলেও কৃষি অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের পাওয়া না যাওয়ায় বিক্রেতাদের পরামর্শ অনুযায়ী জমিতে কীটনাশক ব্যবহার করছি, কিন্তু তাতে কোন কাজ হচ্ছে না। উপজেলার সাধুড় মোড় এলাকার কৃষক কাজেম বলেন, ধান গাছের গোড়াই পচনে লালচে হয়ে ধানের চারা নষ্ট হচ্ছে। এছাড়াও ধান গাছের বিভিন্ন অংশে বাদামী ফড়িং পোকার আক্রমনের কারণে গাছের চারার রস কমে গিয়ে শুকিয়ে যাচ্ছে। এসব আমন ধানের গাছে বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতি ব্যবহার ও কীটনাশক স্প্রে করে লাভ না হওয়ায় কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। অভিজ্ঞ মহল মনে করেন, জরুরী ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে আমন ধানের ফলন অর্ধেকে নেমে আসতে পারে। উল্লেখ্য যে, চলতি মৌসুমে গোদাগাড়ী উপজেলায় আমনের চাষ হয়েছে ২৪ হাজার ৩১০ হেক্টর জমিতে। গোদাগাড়ী কৃষি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, পোকা দমনে কৃষকদের বিভিন্নভাবে পরামর্শ ও সহযোগিতার জন্য ইতিমধ্যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *