Sharing is caring!

IMG_20170117_123701প্রেস বিজ্ঞপ্তি \ গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের সাপমারা ইউনিয়নের সাহেবগঞ্জ-বাগদাফার্মের আদিবাসী ও বাঙ্গালিদের উপর রংপুর চিনিকল ও পুলিশের হামলা, মামলা, লুটপাট, খুন, উচ্ছেদ, অগ্নিসংযোগ, হয়রানির প্রতিবাদ এবং লুটেরা-সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে জাতীয় আদিবাসী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে। বিক্ষোভ মিছিলটি মহানগরীর আলুপট্টি মোড় থেকে শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সাহেববাজার জিরো পয়েন্টে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় আদিবাসী পরিষদ রাজশাহী জেলা সভাপতি বিমল চন্দ্র রাজোয়াড় এর সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রবীন্দ্রনাথ সরেন, প্রেসিডিয়াম সদস্য অনিল মারান্ডী, খ্রীস্টিনা বিশ্বাস, কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সবিন চন্দ্র মুন্ডা, আদিবাসী ছাত্র পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বিভ‚তী ভ‚ষণ মাহাতো, আদিবাসী যুব পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নরেন চন্দ্র পাহান, জাতীয় আদিবাসী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থ সম্পাদক সুধীর তিরকি, রাজশাহী জেলা সাধারণ সম্পাদক সুশেন কুমার শ্যামদুয়ার, কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক সূভাষ চন্দ্র হেমব্রম, রাজশাহী মহানগর সাধারণ সম্পাদক আন্দ্রিয়াস বিশ্বাস প্রমূখ। সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন, সাহেবগঞ্জ-বাগদাফার্ম ভ‚মি উদ্ধার সংগ্রাম কমিটির সহ-সভাপতি ফিলিমন বাস্কে, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ নওগাঁ জেলা সমš^য়ক জয়নাল আবেদিন মুকুল, রাজশাহী জেলা সমš^য়ক দেবাশীষ রায়, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির রাজশাহী জেলা সভাপতি রফিকুল ইসলাম পিয়ারুল, রাজশাহী মহানগর সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ প্রামানিক দেবু, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী রাজশাহীর সাধারণ সম্পাদক ড. সুজিত সরকার, মুক্তিযোদ্ধা চেতনা বাস্তবায়ন মঞ্চ’র সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, জন উদ্যোগ রাজশাহীর ফেলো জুলফিকার আহমেদ গোলাপ, বাংলাদেশ রবিদাস উন্নয়ন পরিষদ রাজশাহী জেলা সভাপতি রঘুনাথ রবিদাস প্রমূখ। এছাড়াও বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় আদিবাসী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধার সম্পাদক গনেশ মার্ডি, রাজশাহী জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক প্রদীপ এক্কা, আদিবাসী ছাত্র পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি যাকোব এক্কা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক নকুল পাহান, আদিবাসী যুব পরিষদ রাজশাহী জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক হুরেন মুর্মু সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন জেলার কয়েক শতাধিক আদিবাসী নারী পুরুষ। উল্লেখ্য, গত ৬ নভেম্বর ২০১৬ তারিখে আদিবাসী ও বাঙালি কৃষকদের উপর রংপুর চিনিকল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ কর্তৃক হামলা, লুটপাট ও অগিসংযোগ, উচ্ছেদ করা হয়। পুলিশের গুলিতে তিনজন আদিবাসী (সাঁওতাল) মারা যায়। আহত হয়েছে অনেকে। আদিবাসীদের প্রতিষ্ঠিত স্কুল, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় সাংসদ, স্থানীয় সাপমারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও মিল কর্তৃপক্ষের ইন্ধন, মদদে প্রত্যাক্ষ অংশগ্রহনে হত্যা, অগ্নিসংযোগ এবং সাঁওতাল পল্লীতে লুটপাট চালানো হলেও অপরাধীদের গ্রেফতার করা হয়নি। অপরাধীরা এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে। উল্টো সাঁওতাল ও গরীর বাঙ্গালি কৃষকদের উপর মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *