Sharing is caring!

গোমস্তাপুর প্রতিনিধি \ চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে মাছের আশানুরূপ দাম না পাওয়ায় জেলেরা উপজেলার মহানন্দা ও পূর্ণভবা নদীতে মৃত মাছ ভাসিয়ে দিচ্ছে। ফলে নদী তীরবর্তী এলাকায় তীব্র গন্ধের সৃষ্টি হয়েছে। যা জন স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি স্বরূপ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, অধিক মুনাফা লাভের আশায় এক প্রকার অসাধু ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের চোখে ধুলো দিয়ে উপজেলার পূর্ণভবা ও মহানন্দা নদীর মকরমপুর থেকে রামদাস বিল পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার এলাকায় ২০টি অবৈধ সুতি জাল বসিয়ে গত কয়েকদিন যাবৎ মাছ ধরছে। এদিকে গত শনিবার থেকে প্রচন্ড তাপমাত্রার কারনে বিপুল পরিমান মাছ এ সব সুতি জালে ধরা পড়েছে। ধরা পড়া বিপুল পরিমাণ মাছ আড়তে বিক্রি করতে না পেরে আবারও মৃত মাছগুলো নদীতে ফেলে দিচ্ছে। ফলে নদীর আশেপাশে অ¯^াস্থ্যকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। চরম দূর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে চারিদেকে। এদিকে উপজেলার প্রাণকেন্দ্র রহনপুর বাজারে মাছের আড়ৎগুলোর সামনে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে খুচরা ক্রেতার ভিড় থাকলেও পাইকারী মাছ ব্যবসায়ীদের তেমন ভিড় লক্ষ্য করা যায়না। সিলভার, কাতল, রুই, বিগহেড মাছ বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ১৫-৪০ টাকা দরে। আমিনুল মাছ আড়তের সহকারী মোফাজ্জল হোসেন জানান, গত কয়েকদিন থেকে আবহাওয়া খারাপ থাকায় আড়তে মাছ আমদানী কম হলেও গত শুক্রবার রাত থেকে বিপুল পরিমান মাছ বাজারে আসছে। মাছ ব্যবসায়ী মন্টু জানান, বন্যার পানি কমতে থাকায় উপজেলার রামদাস বিল, চড়–ইল বিল, মকরমপুর ঘাটে প্রচুর মাছ ধরা পড়ছে। গোমস্তাপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম জানান, জেলেরা মরা মাছ নদী থেকে তুলতে না পেরে আবারও তারা নদীতে ছেড়ে দিচ্ছে বলে অভিযোগ পেয়েছেন তারা। এতে করে নদীর পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। অধিক মুনাফা লাভের আশার জেলেরা যেন নদীতে সুতি জাল বসিয়ে মাছ ধরতে না পারে সেজন্য নদী এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হবে। নদীর পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে উপজেলা মৎস্য বিভাগ ও উপজেলার প্রশাসন যৌথভাবে কাজ শুরু করেছে।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *