Sharing is caring!

Lotifa+Akho,31.03.15শিবগঞ্জ প্রতিনিধি \ মাত্র ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে টাকার লোভে প্রতিবেশী যুবক ২ শিশুকে অপহরন করে তুলে দেয় অপহরনকারীদের হাতে ভারতে পাচারের উদ্দ্যেশে। কিন্তু জানাজানি হয়ে যাওয়ায় হত্যা করে লাশের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কেটে নেয় অপহরনকারীরা। দীর্ঘ ১৫ মাসের মাথায় চাঞ্চল্যকর শিবগঞ্জের শিশু লতিফা ও আখি হত্যার দায়ে এ তথ্য দিয়ে আদালতে ¯^ীকারোক্তীমূলক জবানবান্দি দিয়েছে নিহত দুই শিশুর প্রতিবেশী যুবক শাকিল (১৮)। সে একই এলাকার ইব্রাহীমের ছেলে। শিশু লতিফা ও আখি হত্যার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি এর পুলিশ পরিদর্শক আনিসুর রহমান সোমবার জানান, সন্দেহভাজন হিসেবে রোববার শিবগঞ্জের আটরশিয়া থেকে শিশু লতিফা ও আখির প্রতিবেশী শাকিলকে গ্রেফতার করা হয়। পরে সে আদালতে ১৬৪ ধারায় এ হত্যাকান্ডের বিষয়ে ¯^ীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। রোরবার বিকেল ৪ টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আমলি আদালত (খ) অঞ্চল শিবগঞ্জের বিচারক শরিফুল ইসলামের আদালতে শাকিলকে হাজির করা হয়। জবানবন্দিতে শাকিল জানায়, শিশু লতিফা ও আখিকে ভারতে পাচারের কথা ছিল। সে শুধু পাচারকারীদের কাছে শিশু দুটিকে পৌছে দেয়ার জন্য ৫০ হাজার টাকায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলো। সে চুক্তি অনুযায়ী সে তাদের আম কুড়ানোর কথা বলে বাড়ি থেকে নিয়ে যায় ও মামলার এক নং আসামি আরিফের কাছে হস্তান্তর করে সে। পরে শিশু দুটির মৃত্যুর খবর পেয়ে সে আরিফের কাছে জানতে চায় কেন তাদের মেরে ফেললো। তখন আরিফ তাকে জানায় দুই শিশুর নিখোজের বিষয়ে জানাজানি হয়ে যাওয়ায় তাদের হত্যা করা হয়। উল্লেখ্য, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী চর কানছিড়া ডাক্তারপাড়া গ্রামের দুই স্কুল ছাত্রী আব্দুল লতিফের মেয়ে লতিফা (৯) ও একই গ্রামের আশরাফুল আলমের মেয়ে আঁখি (৯) গত বছরের ২৮ মার্চ সকালে স্কুলে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে না ফেরায় পরিবারের প¶ থেকে ঘটনার ২দিন পর রাতে শিবগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। জানানো হয়েছে বিজিবির খাকচাপাড়া সীমান্ত ফাঁড়িকেও। পরবর্তীতে গ্রামের পাশের একটি আখ ক্ষেতে অঙ্গ-প্রতঙ্গ কাটা অবস্থায় ক্ষতবিক্ষত ২ শিশুর লাশ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে মামলাটি চাঞ্চল্যকর মামলা হিসেবে চিন্ঞিত করে সিআইডি কে তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়। এ মামলায় বেশিরভাগ আসামীকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *