Sharing is caring!

গোদাগাড়ী থেকে সফিকুল ইসলাম \ রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে বিদ্যুৎ নিয়ে চলছে ভেলকিবাজি। এ ভেলকিতে পড়ে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে গ্রাহকদের। গুনতে হচ্ছে বেশী বিদ্যুৎ বিল। গোদাগাড়ীতে বিদ্যুৎ এর লো-ভোল্টেজের দরুন চলছে চরম লোডশেডিং। লো-ভোল্টেজ ও লোডসেডিং এর ভেলকিতে পড়ে চরম ক্ষতির ¯^ীকার হচ্ছে গ্রাহকেরা। প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ বার হয় লোডশেডিং। যে সময় টুকু বিদ্যুৎ থাকে তাও আবার থাকেনা ভোল্টেজ। যার ফলে বিদ্যুৎ দ্বারা চালিত টিভি, ফ্রিজ, ফ্যান, মটারসহ কোন যন্ত্রগুলো ঠিকমত চলেনা। এমকি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বিদ্যুতে চলা এ সব যন্ত্রপাতি। কিছু বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি চললেও লো-ভোল্টেজের কারনে মিটারে রিডিং উঠচ্ছে বেশী। এতে করে ঠিকমত বিদ্যুতের সুবিধা না পেলেও গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল গুনতে হচ্ছে বেশী। উপজেলার এক কম্পিউটার ব্যাবসায়ী প্রতিষ্ঠানের মালিক অভিযোগ করে বলেন, লোডশেডিং লেগেই আছে। যে সময় টুক বিদ্যুৎ থাকছে তাও আবার ভোল্ট থাকচ্ছে না। লো-ভোল্টের কারনে ইউপিএস দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত না হওয়ায় কম্পিউটারে কোন কাজ করতে পারছি না। এমনকি কাজ না হওয়ায় দোকানের ভাড়া ও কর্মচারিদের বেতন ২ মাস ধরে দিতে পারিনি। ডিপ অপারেটর শরিফুল ইসলাম বলেন, লো-ভোল্টের কারনে জমিতে পানি দিতে সময় বেশী লাগছে। আগে ১ বিঘা জমিতে পানি দিতে যে সময় লাগতো তার চাইতে বেশী সময় লাগছে। যার কারনে কৃষকদের সেচের জন্য বেশী টাকা গুনতে হচ্ছে। গোদাগাড়ী উপজেলা বিদ্যুৎ অফিস সুত্রে জানা যায়, গোদাগাড়ী উপজেলায় সাড়ে ৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রয়োজন। তবে ইরিগেসন সময়ে এর চাইতে বেশী বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয়। এখন গোদাগাড়ীতে সাড়ে ৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ পাই। তারপরও লোডসেডিং এর ভেলকিবাজী থেকে মুক্তি পাচ্ছে না এ উপজেলার বিদ্যুৎ গ্রহকরা। গোদাগাড়ী উপজেলা বিদ্যুৎ অফিসের আবাসিক প্রকৌশলী আব্দুর রশিদ বলেন, গোদাগাড়ীতে বিদ্যুৎ এর কোন ঘাটতি নেই এবং লোডসেডিং নেই। ঢাকা রামপুরা থেকে যে লোডসেডিং হয় সেইটুকু লোডসেডিং হয়। লো-ভোল্টেজের বিষয়ে তিনি বলেন, দুই তারের লাইন গুলোতে একটু লো-ভোল্টেজ হবে। লো-ভোল্টেজ দুর করার জন্য দুই লাইনের তার গুলো চার লাইন করার কাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *