Sharing is caring!

চলমান রয়েছে অবৈধ কোচিং সেন্টার বন্ধের অভিযান

ভুয়া প্রশ্নফাঁস রোধ ও পরীক্ষার্থীদের মনযোগ যাতে অবৈধ কাজে বিস্তৃত না হয়, তারা যেন প্রশ্নফাঁস ছাড়াই নির্বিঘ্নে পরীক্ষা দিতে পারে সে ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে আছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এরই পরিপ্রেক্ষিতে চলমান এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু ও চলমান থাকাকালীন অবস্থাতেই দেশের সর্বত্র চলছে অবৈধভাবে চালু রাখা কোচিং সেন্টার বন্ধের অভিযান। বেশিরভাগ কোচিং সেন্টারগুলো সরকারি নির্দেশ মেনে যথা সময়ে বন্ধ করে রাখলেও হাতেগোনা কয়েকটি কোচিং সেন্টার খোলা রাখায় তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা হাতে নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলো।

এদিকে যারা সরকারের কঠোর নির্দেশ উপেক্ষা করে কোচিং সেন্টার চালাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার। জরিমানা থেকে শুরু করে সেন্টারগুলো একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সিলগালাও করে দিচ্ছে তারা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অংশ হিসেবে র‌্যাব প্রতিদিনই দেশের প্রতিটি স্থানে অবৈধ কোচিং সেন্টারের খোঁজে অভিযান চালাচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটিতে কোচিং সেন্টারে মামলা-জরিমানার পাশাপাশি মোটা অংকের দণ্ডে দণ্ডিতও করা হয়েছে। সম্প্রতি দেশের প্রায় শ’খানেক কোচিং সেন্টার বন্ধ করে দিয়েছে র‌্যাব।

এদিকে এসএসসি পরীক্ষা শুরুর সাতদিন আগে শিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন প্রশ্নফাঁসের কথা চিন্তা করে কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার কথা। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার আগে ইশতেহারে প্রশ্নফাঁসের ব্যাপারে জিরো টলারেন্সের কথাও জানিয়েছিল। তাদের কথার প্রতিফলন হিসেবে এসএসসি পরীক্ষাকে সামনে রেখে পুরোপুরি কঠোর মনোভাব পোষণ করে সরকার। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেফতার করা হয় প্রায় তিনশ’জনকে। যাদের বেশিরভাগেরই বয়স ১৮ থেকে ৩০ এর মধ্যে। এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও দেয়া হয় কড়া নজরদারি। যা এখনো চলমান অবস্থায় রয়েছে। যেখানে ভুয়া প্রশ্নফাঁসের ব্যাপারে কিছু শোনা যাচ্ছে, সেখানেই হানা দিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এর বাইরেও যারা অবৈধভাবে কোচিং সেন্টার খোলা রেখে তাদের যাবতীয় কার্যক্রম চালাচ্ছে, তাদেরর বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে র‌্যাব-পুলিশসহ অন্যান্য বাহিনীগুলো।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *