Sharing is caring!

চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রয়াত ৫ম জেলা প্রশাসক

শহিদুল্লাহ মিয়ার মৃত্যুতে মিলাদ ও

দেয়া মাহফিল

♦ স্টাফ রিপোর্টার

চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রয়াত ৫ম জেলা প্রশাসক মো. শহিদুল্লাহ মিয়ার মৃত্যুতে তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনায় মিলাদ ও দেয়া মাহফিল হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের আয়োজনে শনিবার বিকেলে ফাউন্ডেশনের মিলনায়তনে মিলাদ ও দেয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক এ.জেড.এম নূরুল হক। ইসলামিক ফাউন্ডেশন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. আবুল কালামের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলমগির হোসেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এ.কে.এম মোস্তাফিজুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ কোর্ট জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মো. হোসেন আহমেদ। মাহফিলে কোরআন তেলাওয়াত করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশ লাইনস কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা মো. রাবিউল ইসলাম। ফাউন্ডেশনের ফিল্ড সুপারভাইজার মুহাম্মদ শরিফুল ইসলামের সঞ্চালনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে দোয়া পরিচালনা করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ কোর্ট জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মো. হোসেন আহমেদ। উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন মসজিদের ইমামগণ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। বক্তারা চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রয়াত ৫ম জেলা প্রশাসক মো. শহিদুল্লাহ মিয়ার জীবনের বিভিন্ন তুলে ধরেন। উল্লেখ্য, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ৫ম জেলা প্রশাসক মো. শহিদুল্লাহ মিয়া গত রবিবার (৩ ফেব্রæয়ারী) বিকেল সাড়ে ৫টায় ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্তেকাল করেন। সোমবার (৪ ফেব্রæয়ারী) বাদ জোহর ঢাকা মগবাজার জামে মসজিদে জানাযা শেষে ঢাকা রায়ের বাজার বুদ্ধিজীবী করবস্থানে মরহুমের দাফন সম্পন্ন হয়। মো. শহিদুল্লাহ মিয়ার বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার পূর্ব বংকিরহাট গ্রামে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে ও ১ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মো. শহিদুল্লাহ মিয়া ১৯৭৩ সালে বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারে চাকুরীতে যোগদান করেন। মো. শহিদুল্লাহ মিয়া একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে মো. শহিদুল্লাহ মিয়া ১৯৯৩ সালের ২৬মে চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন এবং ১৯৯৫ সালে ৭ আগষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে বদলী হয়ে পটুয়াখালির জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদান করেন। পরে তিনি ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি তৎকালিন বাণিজ্য মন্ত্রী আব্দুল জলিল (প্রয়াত) এর পি.এস হিসেবে যোগদান করেন। চাকুরী জীবনে তিনি যুগ্ম সচিব হিসেবে পদোন্নতী পেয়ে ২০০৫ সালে অবসরে যান তিনি। ২০০৭ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত সিনহা গ্রæপে কর্মরত ছিলেন। তিনি ২০১১ সাল থেকে প্রাইম গ্রুপ অব ইন্ডাষ্ট্রি’র পরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *