Sharing is caring!

SAM_0270চাঁপাইনবাবগঞ্জ সংবাদদাতা \ অবশেষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা থেকে ফ্রুট ব্যাগিং আম বিদেশে রপ্তানী শুরু কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বুধবার দুপুরে জেলার আম ব্যবসায়ী বাসিরুল ইসলামের তত্বাবধানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের মেসার্স বারকুল্লাহ ট্রেডার্স এর মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে ২০০০ কেজি ল্যাংড়া ও ফজলি আম বিদেশে রপ্তানীর কাজ শুরু করলো ইংলান্ডের ওয়ালমার্ট সুপার চেইন মার্কেটে। ধারাবাহিকভাবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে রপ্তানী হতে থাকবে বারি আম-৩ বা আম্রপালি ও আশ্বিনা জাতের সুমিষ্ট আম। আর এর ফলে প্রথমবারের মতো সুযোগ তৈরী হলো চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম বিদেশে রপ্তানীর। ঢাকার একটি রপ্তানীকারণ প্রতিষ্ঠান মেসার্স দিপ এন্টারপ্রাইজের মাধ্যমে চাঁপাইনবাবঞ্জের আম লন্ডনের ওয়াল মার্ক মার্কেট এবং বাংলাদেশী ও মার্কেটে রপ্তানী শুরু হলো। কৃষকরা এবছর ভাল ফ্রুট ব্যাগিং আম ব্যবহার ছাড়া আমের দাম খুব একটা পায় নি। ফ্রুট ব্যাগিং ব্যবহার করে উৎপাদিত আমের সঠিক মূল্য পাচ্ছে। আগামীতে আরও ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতি ব্যবহারে এগিয়ে আসবে আম চাষী ও ব্যবসায়ীরা। ফ্রুট ব্যাগিং আম চাষী আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, এই প্রথম জেলার আম বিদেশে রপ্তানী করতে পেরে আমচাষীরা অত্যন্ত খুশি। আমের সঠিক দামও পাওয়া যাচ্ছে। আগামীতে আরও ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতিতে আম উৎপাদন করে বিদেশে রপ্তানীর চেষ্টা করবো আমরা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ উদ্যানতত্ব গবেষণা কেন্দ্রের উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ শরফউদ্দিন বলেন,  ফ্রুট ব্যাগিং আম প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষক লাভবান হচ্ছে। এবছর আম চাষীরা আমের দাম খুবই কম পেয়েছে। কিন্তু ফ্রুট ব্যাগিং আম প্রযুক্তি ব্যবহার করে অনেক উন্নতমানের আম উৎপাদন করতে পেরেছে চাষীরা। ফলে এই পদ্ধতিতে আম চাষ করে ব্যবসায়ীরা অনেক কম খরচে আম উৎপাদন এবং দামও পাচ্ছে। এবছর প্রাথমিকভাবে ফ্রুট ব্যাগিং আম প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। আগামী বছর অনেক চাষীই ফ্রুট ব্যাগিং আম প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। ফলে অনেক বেশী ভাল মানের আম উৎপাদন সম্ভব হবে। এজন্য আগামীতে আরও বেশী রপ্তানীকারক প্রয়োজন হবে। আম রপ্তানীর ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের সকল প্রকার সহযোহিতার আশ্বাস প্রদানও করেন তিনি। এসময় ফ্রুট ব্যাগিং আম প্রযুক্তি ব্যবহার করে উপকারভোগী আম চাষীরা উপস্থিত ছিলেন।

SAM_0264

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *