Sharing is caring!

শুক্রবার থেকে ভ্রাম্যমান আদালত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জরুরী সভা

♦ স্টাফ রিপোর্টার

ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন করনীয় নিয়ে জরুরী সভা হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। মঙ্গলবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কক্ষে অনুষ্ঠিত জরুরী সভায় সভাপতিত্ব করেন, জেলা প্রশাসক এ জেড এম নূরুল হক। সভায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন জরুরী পদক্ষেপ ও করনীয় নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার টি.এম মোজাহিদুল ইসলাম বিপিএম-পিপিএম, নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. শংকর কুমার কুন্ডু, নবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মানোয়ারা খাতুন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তাজকির-উজ-জামান, জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা (এনএসআই)’র চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. মোরশেদ আলম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুল লতিফ, চাঁপাইবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল হুদা অলক, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোসা. সাহিদা আখতারসহ অন্যান্যরা। সভায় জেলা প্রশাসক এ জেড এম নূরুল হক জানান, বুধবার জেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ও সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের ভেতর ও তার আশেপাশের এলাকা পরিচ্ছন্ন কাজে অংশ নিবে। বৃহস্পতিবার সচেতনতা কার্যক্রমে শিক্ষার্থী, রোভার স্কাউট, বিএনসিসিসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বাড়িতে বাড়িতে ও রাস্তায় নেমে সকলকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা এবং নিজ নিজ বাড়ি ও অফিসের আঙ্গিনা পরিস্কার করার আহব্বান জানাবে। শুক্রবার নিজ নিজ বাসা-বাড়ি, অফিস ও দোকানের সামনে ময়লা, আর্বজনা ও পানি জ্বমে থাকলে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা হবে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটি নিদিষ্ট বড় আকারের ডাস্টবিন তৈরি করতে হবে। যেখানে প্রতিষ্ঠানের সকল ময়লা-আর্বজনা রাখা হবে এবং পৌরসভার কর্মীরা তা নিয়ে আসবে। ঈদে ¯^াস্থ্য বিভাগের সাথে সাথে জেলা প্রশাসনের সকল কর্মকর্তার ছুটি বাতিল করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, রাতের মধ্যে সকল পৌর নাগরিকের ময়লা-আর্বজনা ডাস্টবিনে ফেলতে এবং সকালেই তা পরিস্কার করতে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। এমনকি ঈদের আগে রাস্তা খুড়ে যেকোন ধরনের কাজ পরিচালনা কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম জানান, ব্যবহারের পর ফেলে দেয়া পলিথিনের কারনে পৌরসভার ড্রেনগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এতে করে পানি চলাচলে বাধার সৃষ্টি এবং সেখান থেকেই এডিস মশা বংশবিস্তারের সুযোগ তৈরি হয়। তাই সকল নাগরিককে আরো বেশি সর্তক ও নিজ নিজ বাসা-বাড়ির আর্বজনা নিদিষ্ট স্থানে রাতের মধ্যেই ফেলার আহব্বান জানান তিনি। পুলিশ সুপার টি.এম মোজাহিদুল ইসলাম বলেন, জেলার কোথাও এডিস মশার বংশবিস্তারের ক্ষেত্র বা যেকোন অসংগতি দেখতে পেলেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে সকলকে জানিয়ে দিন। চকলেটের খোসা, বাসার ছাদ বা কার্নিস, চিপস্রে প্যাকেট, পানির খালি বোতল, ডাবের খোসা, ফুলের টব, টিনের কোটা, গাড়ীর পরিত্যক্ত টায়ার, দইয়ের-আইসক্রিমের খালি বাটি, ভাঙ্গা হাড়ি পাতিল যত্রতত্র রাখলে তাতে বৃষ্টির পানি জ্বমে এডিস মশার বংশবিস্তারের উপযুক্ত ক্ষেত্র তৈরি হয়। তাই এসব জিনিসপত্র উল্টিয়ে অথবা নষ্ট করে দিতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *