Sharing is caring!

Ronjuচাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি \ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন প্রোগ্রাম এর আয়োজনে তথ্য বাতায়ন, ই-সেবা ও ডিজিটাল সেন্টারের কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। জেলা প্রশাসনের বাস্তবায়নে রোববার সকালে কর্মশালার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক (যুগ্ম সচিব) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর কবীর। কর্মশালায় তথ্য বাতায়ন, ই-সেবা ও ডিজিটাল সেন্টার বিষয়ে ধারণা প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন প্রোগ্রাম এর ই-সার্ভিস প্রোগাম-২ এর ডোমেইন এক্সপার্ট আলতাফ হোসেন সেখ। উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মাকসুদা বেগম সিদ্দিকা, সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আলাউদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, জেলা তথ্য অফিসার ওয়াহেদুজ্জামান, জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা একরামুল ইসলাম, জেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নহিরউদ্দিন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মির্জা সাকিলা দিল হাছিন, জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান এ্যাড. ইয়াসমীন সুলতানা রুমা, বিআরপিএ’র সহকারি পরিদর্শক স্বদেশ কুমার, বেসরকারী সংস্থা এসেডো’র নির্বাহী পরিচালক কৃষিবিদ রবিউল ইসলাম, বিভিন্ন সরকারী প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ, এনজিও প্রধান, বিভিন্ন ইউনিয়ন উদ্যোক্তা, সাংবাদিক, শিক্ষকসহ অন্যরা। কর্মশালায় জেলার বিভিন্ন তথ্য হালনাগাদ করার বিষয়, হাইস্পিড ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন ও প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করনের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক বলেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে জেলার ইউনিয়ন সেবা কেন্দ্র থেকে পাশপোর্ট সহ বিভিন্ন ফরম পুরণ করে জমা দেয়া হচ্ছে। একটি ফরম জমা দেয়ার জন্য বার বার আসতে হতো গ্রাহকদের। বর্তমানে ই-সার্ভিসের কারণে সকল সুবিধা ভোগ করছে সাধারন মানুষ। এমনকি ইন্টারনেটের মাধ্যমে রেলের টিকিটসহ অন্যান্য কার্যক্রমও চলছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি কম্পিউটার ল্যাব প্রতিষ্ঠার উপর গুরুত্বারোপ করেন জেলা প্রশাসক। ল্যাব প্রতিষ্ঠা হলে জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কম্পিউটার ও ইনটারনেট ব্যবহার বিষয়ে প্রশিক্ষিত করা সম্ভব হবে। কর্মশালায় জানানো হয়, জেলায় ১৯টি ডিজিটাল সেন্টার রয়েছে। ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা, ৫ উপজেলা ও ৪৫টি ইউনিয়নের সকল তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। জেলায় প্রায় ৫৮ জন পুরুষ ও ৩৪ জন মহিলা উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করছে। জেলার সদর উপজেলার চরনারায়নপুর ও চরআলাতুলী এবং শিবগঞ্জ উপজেলার উজিরপুর ও পাঁকা ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সুবিধা না থাকায় এসব ইউনিয়নে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে ইন্টারনেট সুবিধা দেয়া হচ্ছে। এটুআই প্রকল্প থেকে জেলার ৩৯টি ইউনিয়নে সোলার সিস্টেম বিতরণ করা হয়েছে। জেলায় উদ্যোক্তারা আয় করেছে ৪৯ লক্ষ ৬৭ হাজার ৩’শ ৭০ টাকা। জেলায় ৩টি ডিজিটাল মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সার্ভার স্থাপন করা হয়েছে বলে জানানো হয় কর্মশালায়।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *