Sharing is caring!

S2750002 S2750025 চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি \ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের গোয়ালডুবি থেকে রোডপাড়া পর্যন্ত পদ্মা তীরে প্রায় আড়াই হাজার মিটার এলাকা জুড়ে ব্যাপক ভাঙ্গন চলছে। পদ্মা তীরে ভাঙ্গনে এলাকার ১৫০ মিটার ভেঙ্গে প্রায় অর্ধশাধিক বাড়ি-ঘর এবং কয়েক ফসলী জমি নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। ভিটেমাটি হারিয়ে এসব ভাঙ্গন এলাকার পরিবারের মানুষ মানবেতর জীবন-যাপন করছে। জরুরী ভিত্তিতে এখনই ভাঙ্S2750017গন রোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের বিশাল অংশ নদী গর্ভে চলে যাবে। চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান সদস্য মোঃ ঝাটু ও স্থানীয় লোকজন জানান, পদ্মা তীরে ব্যাপক ভাঙ্গন সৃষ্টি হওয়ায় কয়েকদিনে এলাকার অনেক ফসলী জমি ও আমবাগান নদীতে নেমে গেছে। নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে প্রায় ৫০টি পরিবারের ঘরবাড়ি, ৫০ একর ফসলী জমি ও আম বাগানসহ বিভিন্ন স্থাS2750068পনা। ঘরবাড়ি হারিয়ে অনেক পরিবার মাথাগোঁজার জায়গাটুকু পাচ্ছে না, কোনমতে অন্যের জমি বা রাস্তার পার্শ্বে ঠাই নিয়েছে। ভাঙ্গন রোধে এখনই জরুরীভাবে ব্যবস্থা না নিলে, বর্তমান সংসদ সদস্য আব্দুল ওদুদের ঐকান্তিক চেষ্টায় বর্তমান সরকারের আমলে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে এলাকার উন্নয়নে নির্মিত সকল রাস্তা, চরবাগডাঙ্গা ইউপি কমপ্লেক্স, প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা, বাজার, ঈদগাহসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে বিলিন হয়ে যাবে। তাই পদ্মাতীর ভাঙ্গন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া এখনই জরুরীS2750012 হয়ে পড়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ শহিদুল আলম পদ্মায় ভাঙ্গনের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তিনি নিজেই চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নে পদ্মা তীরে ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শণ করেছেন। ইতিপূর্বে পদ্মা বামতীর সংরক্ষন বাঁধের ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা মেরামS2750007তের জন্য ইতোমেধ্যই দরপত্র আহবান করে কার্যাদেশ প্রদান করা হয়েছে। যে এলাকায় নতুন করে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে, উক্ত এলাকায় গত বছর থেকেই ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। ভাঙ্গন এলাকায় ভাঙ্গন রোধে ২ হাজার মিটার এলাকায় ডিপিপি প্রণয়ন কাজ চলমান রয়েছে। ভাঙ্গন রোধে ডিপিপি অনুমোদনের জোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এছাড়া অতি গুরুত্বপূর্ণ অংশে ভাঙ্গন রোধে অস্থায়ীভাবে জরুরী ভিত্তিতে কাজ বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। পদ্মাতীর ভাঙ্গন রোধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এগিয়ে আসার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *