Sharing is caring!

Chapai P.P-1Chapai P.P-2 চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি \ পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উদ্যোগে মা ও শিশু এবং কৈশোরকালীন ¯^াস্থ্যসেবা ও প্রচার সপ্তাহ উপলক্ষে এ্যাডভোকেসী সভা ও প্রেস ব্রিফিং হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। বুধবার সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সার্কিট হাউস মিলনায়তনে ১৪ থেকে ১৯ মে পর্যন্ত ¯^াস্থ্য সেবা ও প্রচার সপ্তাহ উপলক্ষে এ্যাডভোকেসী সভায় প্রেস ব্রিফিং এ প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ জাহিদুল ইসলাম। ‘প্রসব পরবর্তী পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহণ নিশ্চিত করে সুস্থ সুন্দর পারিবারিক বন্ধন’ শ্লোগানে ¯^াস্থ ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় এ্যাডভোকেসী সভায় প্রেস ব্রিফিং করেন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ডাঃ মোঃ আব্দুস সালাম। বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন ডা. প্রধান আবুল কালাম আজাদ, জেলা তথ্য অফিসার ওয়াহেদুজ্জামান, সদর উপজেলা ¯^াস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আব্দুর রহমান। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের আইইএম ইউনিটের সহযোগিতায় ও জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের অর্থায়নে অনুষ্ঠিত সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশর উন্নয়নে কৃষক, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মীসহ লক্ষ লক্ষ লোক জড়িত। চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমে কেমিক্যাল দেয়া বন্ধ করতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন, তেমনি দেশকে এগিয়ে নিতেও সকলের সহযোগিতা দরকার। কমিউনিটি ক্লিনিকে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মায়েদের প্রসুতিকালীন ও প্রসব সেবা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এজন্য ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ প্রয়োজনীয় উপকরণও সরবরাহ করতে পারে। সরকারের উন্নয়নের কারণে সরকার দীর্ঘস্থায়ীভাবে ক্ষমতায় থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া সম্ভব। তিনি বলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় সকলের সহযোগিতায় ইউপি নির্বাচন শুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় যোগদানের পর ভূমি অফিসকে দূর্ণীতিমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও নেয়া হয়েছে। তারপরও কোন অভিযোগ আসলে তদন্ত ¯^াপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি আরও বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের মেয়েদের পারিবারিকভাবে আটকে রাখা হয়েছে। জেলায় কোন মৌলবাদ নেই। একটি সুন্দর ও মডেল জেলা গঠনে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। প্রেসব্রিফিংএ উপ-পরিচালক বলেন, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মীদের প্রচেষ্টায় বর্তমানে মা ও শিশু মৃত্যু, জন্মহার নিয়ন্ত্রণ, পরিবার পরিকল্পনা গ্রহণ, মা ও শিশুর ¯^াস্থ্য সেবা লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। আগামীতে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে। শতভাগ প্রসুতি মায়ের বাচ্চা প্রসব নিশ্চিত করার জন্য বলা হয় সভায়। জেলায় অশিক্ষা, দারিদ্র ও বাল্যবিবাহের কারণে লক্ষ্যমাত্রা অর্জণে প্রতিবন্ধিকতা সৃষ্টি হচ্ছে। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও ¯^াস্থ্যকর্মীরা, এনজিও ¯^াস্থ্য কর্মীদের সমš^য়ের মাধ্যমে ¯^াস্থ্য সেবা নিশ্চত করার জন্য কাজ করার আহবান জানান তিনি।  উপস্থিত ছিলেন ডা. ইউসুফ আলী, গৌরি চন্দ সিতু, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াকর্মীগণ, ¯^াস্থ্য বিভাগের বিভিন্নস্তরের কর্মকর্তা, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও ¯^াস্থ্যকর্মীরা, এনজিও ¯^াস্থ্য কর্মীরা। সভায় মা ও শিশু ¯^াস্থ্য সেবা নিশ্চিত করে জন্ম নিয়ন্ত্রন ও মা ও শিশু মৃত্যু হার লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে নিয়ে আসার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *