Sharing is caring!

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিবার কল্যাণ সেবা ও

প্রচার সপ্তাহের এ্যাডভোকেসি ও প্রেসব্রিফিং

♦ স্টাফ রিপোর্টার 

“প্রতিষ্ঠানিক ডেলিভারী বৃদ্ধি করি, প্রসব পরবর্তী পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি নিশ্চিত করি” এ শ্লোগানে আগামী ২৪ নভেম্বর থেকে ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহের প্রেসব্রিফিং হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই প্রেসব্রিফিং ও এ্যাডভোকেসী সভা হয়। প্রেসব্রিফিং ও এ্যাডভোকেসী সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক এ.জেড.এম নূরুল হক। পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক ডা. মো. আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন ডা. সায়ফুল ফেরদৌস মো. খায়রুল আতাতুর্ক, জেলা তথ্য অফিসার মো. ওয়াহেদুজ্জামান, ‘দৈনিক চাঁপাই দর্পণ’র সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম রঞ্জু, সাংবাদিক হোসেন শাহনেওয়াজ, সদর উপজেলা প.প কর্মকর্তা আনোয়ারুল আজিমসহ অন্যরা। উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ.কে.এম তাজকির-উজ-জামান, ডা. মো. ময়েজউদ্দিন, ডা. মো. আনোয়ার জাহিদ, পৌর কাউন্সিলর মো. জিয়াউর রহমান আরমান, বিভিন্ন ইউপি চেয়ারম্যান, বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী, এনজিওকর্মী ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের বিভিন্নস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। প্রেসব্রিফিং ও এ্যাডভোকেসী সভায় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের জন্মহার, শিশু মৃত্যুহার, মাতৃ মৃত্যুর হার, গর্ভবর্তী মায়েদের সন্তান প্রসব ও গর্ভধারণকালে সেবা গ্রহণ, বাল্য বিয়ে প্রতিরোধসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক ডা. মো. আব্দুস সালাম।  অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন সদর উপজেলা সহকারি প.প কর্মকর্তা সবনম শশী। জেলায় প্রসব পরবর্তী প্রসূতি মায়ের মৃত্যুহার ও নবজাতকের মৃত্যুরহার কমাতে জেলায় ৩ হাজার ধাত্রীকে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। যা এই প্রশিক্ষণার্থী ধাত্রীরা শিশু মৃত্যুহার ও মাতৃমৃত্যুহার কমাতে কাজ করবেন। বক্তারা বলেন, আধুনিক সদর হাসপাতালের নতুন ভবনের উদ্বোধন হলেও তা কার্যক্রমের উদ্বোধন হয়নি। তবে, দিন-দিন আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা উন্নত হয়েছে। কোন চিকিৎসা সেবার জন্য ক্লিনিকে টাকা দিয়ে চিকিৎসা সেবার জন্য যেতে হবে না। চিকিৎসা সেবা থেকে কোনো রোগী যেনো বাদ না পড়ে সেজন্য সরকার এই বছর জেলা ৯১জন নার্স দিয়েছেন। শুধু আধুনিক সদর হাসপাতালে নয়, জেলা প্রতিটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবার মান উন্নত করা হয়েছে। জেলায় গর্ভবতী মায়েদের নিবন্ধন রয়েছে ৪২ হাজার ৪১৭জন। জেলায় শিশু মৃত্যুরহার ২৮জন, মাতৃ মৃত্যুরহার ১৭৬জন। তবে, মাতৃ মৃত্যুরহার শিবগঞ্জে সবচেয়ে বেশি। জেলা মোট ১৭ অফিসার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এরমধ্যে ৪ উপজেলায় ৪জন করে ১৬জন এবং কানসাট ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ১জন। বক্তারা জেলার সকল গর্ভবতী মায়েদের সন্তান প্রসবের কাজটি বাড়িতে না হয়ে সরকারি স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রগুলোতে নিয়ে আসার জন্য সকলের প্রতি আহŸান জানান। এসব প্রচার-প্রচারণার জন্য জেলার গণমাধ্যমকর্মী ও সমাজের নেতৃস্থানীয় মানুষদের প্রতি অনুরোধ জানান।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *