Sharing is caring!

R 3চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি \ বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয় বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে। শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ জাহিদুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন জেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ডা. আব্দুস সালাম, সদর উপজেলা ¯^াস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুর রহমান, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. আজিজুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন ডা. আনোয়ার জাহিদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাঃ জোনাব আলী,   গ্রীণভিউ উচ্চ বিR 1দ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকসানা আহমেদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ¯^র্ণকিশোরী ফারিয়া পারভিন মেঘা, গৌরি চন্দ সিতু, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াকর্মী এবং বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়নের কর্মরত পরিবার পরিকল্পনা মাঠকর্মীরা। অনুষ্ঠানে পরিবার পরিকল্পনা এবং মা ও শিশু ¯^াস্থ্য কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখায় জেলায় ৬ জন-প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা ও সনদ প্রদান করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, “এমন দেশটি কোথায় খুঁজে পাবে না কো তুৃমি” বাংলাদেশের জন্মভূমির ¯^াদ কোথাও নেই। দেশের সম্মান এবং জন্ম নিয়ন্ত্রণে নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ বিদেশে মডেল হিসেবে দেখছে। দেশের কম শিক্ষিত পরিবারের মধ্যে কু-সংস্কার রয়েছে। তিনি বলেন, ‘আল্লাহ’ জন্ম নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়মাবলী করে দিয়েছেন। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে R 2জন্ম নিয়ন্ত্রণ অবশ্যই প্রয়োজন। চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহিলারা আধুনিক, কর্মঠ, উন্নয়নের রুপকার। পরিবার থেকে সহায়তা পেলে সমাজ পরিবর্তণে ভূমিকা রাখতে পারবে। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জে যেন কোনদিন হরতাল বা জঙ্গীবাদ না হয়, সেদিকে সকলকে খেয়াল রাখার আহবান জানান। বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে সকলকে একসাথে কাজ করারও আহবান জানান তিনি। আলোচনা সভায় বলা হয়, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের লক্ষ্য জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা। সাড়ে ৭ কোটি মানুষ থাকার সময় পরিবার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। বর্তমানে জনসংখ্যা মোট ১৬ কোটি ১০ লক্ষ প্রায়। পরিবার পরিকল্পনা করা না হলে এর পরিমান অনেক গুন বৃদ্ধি পেত। জমির তুলনায় বাংলাদেশে জনসংখ্যার পরিমান বেশী।  গ্রামের কম শিক্ষিত ও দরিদ্র পরিবারের মানুষদের নিয়েই সমস্যা সৃষ্টি হয়। বর্তমানে ১৮ বছরের আগে বিয়ের পরিমান ৫৯। ১৮ থেকে ২০ বছর বয়সের ৩১ জন। কম বয়সে মেয়েদের বিয়ে হওয়ায় শিশু ও মা মৃত্যুর হার কাক্সিখতভাবে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হচ্ছে না। মা ও শিশু মৃত্যুর হার নিয়ন্ত্রণে প্রাপ্ত বয়সে বিয়ে হওয়া জরুরী। মায়ের অভিজ্ঞতা মা ও শিশু পরিচর্যায় ভূমিকা রাখতে পারবে।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *