Sharing is caring!

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বৃদ্ধাশ্রম ও শিক্ষা

প্রতিষ্ঠানে ব্যক্তিগত সহায়তা

♦ স্টাফ রিপোর্টার

সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কিছু সেবা করার মানসিকতা নিয়ে কাজ করার অংশ হিসেবে সম্প্রতি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ নানা প্রতিষ্ঠানে আর্থিক ও আসবাবপত্র সহায়তা করে আসছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বধূ সম্প্রতি সরকারী চাকুরী থেকে অবসরে যাওয়া মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অবসরপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক মমতাজ বেগম। এরই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহানন্দা প্রবীন নিবাস (বৃদ্ধাশ্রম) ও দু’টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নিজ¯^ অর্থায়নে সহায়তা প্রদান করেছেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অবসরপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক মমতাজ বেগম। মঙ্গলবার সকালে তিনি জেলা শহরের গাবতলা মোড়স্থ মহানন্দা প্রবীন নিবাস পরিদর্শন করেন এবং বৃদ্ধাশ্রমের সকল অসহায় নারী-পুরুষদের সাথে মতবিনিমিয় করেন এবং তাদের খোঁজ-খবর নেন। তাদের চাহিদার ভিক্তিতে তাৎক্ষণিকভাবে তিনি মহানন্দা প্রবীন নিবাসের জন্য একটি আলমারী প্রদান করেন। এছাড়াও তাদের তাদের রান্না ও খাবার তৈরিতে সহায়তার জন্য একটি ব্লেন্ডার মেশিন প্রদান করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, মহানন্দা প্রবীন নিবাসের তত্বাবধায়ক মো. মোস্তাফিজুল হক, সোনালী ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার ও সনাক সদস্য আলহাজ্ব আব্দুল খালেক, সমাজসেবক মো. আরিফ রেজা, চরমোহনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোসা. নাজমা খাতুন, মহানন্দা প্রবীন নিবাসের সুপারভাইজার মো. আলিউর রেজাসহ অন্যান্যরা। নিবাসের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় মমতাজ বেগম বলেন, প্রবীন নিবাস নিয়ে আমাদেরকে ভাবতে হবে। কারন পূর্বের তুলনায় বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রয় নেয়া নারী-পুরুষের সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে। ছোটদের সচেতন করতে না পারলে দিন দিন আরও বাড়তে থাকবে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরকে আলাদাভাবে সচেতন করার কোন বিকল্প নেয়। একক পরিবারের প্রতি আগ্রহী হওয়ার কারনেই এসব নারী-পুরুষের এই অবস্থা উল্øেখ করে তিনি বলেন, প্রত্যেক বাবা-মাকে সন্তানদেরকে ছোট থেকেই সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে। এই বয়সে এসব মানুষদের বৃদ্ধাশ্রমে দেখা, সত্যিই খুবই দুঃখজনক। মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অবসরপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক মমতাজ বেগম জানান, এসব মানুষদের নিয়ে অনেক কিছু করার ইচ্ছা আছে। আগামীতেও আমি তাদের পাশে থাকতে চাই। দুপুরে তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার রাজারামপুর হামিদুল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষের জন্য ৪টি সিলিং ফ্যান প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেন এবং শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় করেন। শেষে চরমোহনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় এবং বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষের জন্য ৪টি সিলিং ফ্যান প্রদান করেন মমতাজ বেগম। এসময় উপস্থিত ছিলেন, চরমোহনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম, রাজারামপুর হামিদুল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহা. শাহ আলম, সহকারী শিক্ষক মোসা. নাজমা খাতুনসহ বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *