Sharing is caring!

CIMG2596 CIMG2589চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি \ জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া কর্মীদের নিয়ে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। বৃহস্পতিবার সকালে সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে দিনব্যাপী মিডিয়া ক্যাম্পেইন এর উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোঃ জাহিদুল ইসলাম। পরিবার পরিকল্পনা জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ডাঃ মোঃ আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সিভিল সার্জন ডাঃ প্রধান মোঃ আবুল কালাম আজাদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মির্জা শাকিলা দিল হাছিন, জেলা তথ্য অফিসার ওয়াহেদুজ্জামান। সেমিনারে ছোট পরিবার বিষয়ে ধারণার উন্মেষ, পুষ্টি, এএনসি নিরাপদ প্রসব, পিএনসি ও নবজাতকের যত্ন বিষয়ে সাংবাদিকদের ধারণা প্রদান করেন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার আসুরা বেগম হাওলাদার। সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনে জেলার সিনিয়র সাংবাদিকগণসহ প্রায় ৪০জন বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াকর্মীগণ অংশ গ্রহণ করেন। উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক বলেন, জেলায় বাল্য বিবাহ বন্ধে মিডিয়াকর্মীগণ ও প্রশাসন একসাথে কাজ করতে হবে। দেশে ও জেলায় সকলের সহযোগিতায় সহিংসতা প্রতিরোধ হয়েছে। বিদেশে বর্তমানে বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে আমরা গর্বিত হই। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাকে বাল্য বিবাহ মুক্ত করতে মিডিয়াকর্মীদের পরামর্শ ও সহায়তা কামনা করেন তিনি। সরকারি অফিসে জনগণকে সঠিকভাবে সেবা দেয়ার জন্য সকলকে কাজ করতে হবে। একজন অপ্রাপ্ত বয়স্ক মাত্র ১৩ বছর বয়সে সন্তান প্রসব করে, তাহলে মা ও শিশু উভয়েই ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। পাশাপাশি পরিবারের লোকজনও সমস্যায় পড়ে। সামজিক মূল্যবোধ মাথায় রেখে কিভাবে সকলে কাজ করবো সেটা ভাবার সময় এসেছে। সবাই একসাথে কাজ করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাকে সুন্দর করে তুলতে এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি। ক্যাম্পেইনে জনসংখ্যা ও উন্নয়ন, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ও বিশ্বপ্রেক্ষাপট সম্পর্কে ধারণা, জনসংখ্যা কিভাবে উন্নয়নকে প্রবাবিত করে, পরিবার পরিকল্পনায় বিনিয়োগ বৃদ্ধির সুফল সম্পর্কে ধারণা, দেশের জনসংখ্যা কিভাবে দক্ষ জনশক্তিতে রুপান্তর করে উন্নয়নকে আরও তরাšি^ত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। ক্যাম্পেইনে বলা হয়, এখনও মাত্র ৩২ ভাগ মা গর্ভকালিন সময়ে সেবা কেন্দ্রে এসে চিকিৎসা নিয়ে থাকে। ৬২ ভাগ মায়ের সন্তান প্রসব হয় বাসা বাড়িতে। বর্তমান সচেতনতার যুগে যা অত্যন্ত আশ্চর্যের বিষয়। স্বাস্থ্য বিভাগের ব্যর্থতা যেমন রয়েছে, তেমনী সফলতাও রয়েছে। সংবাদপত্রের মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করে স্বাস্থ্য সেবার বিষয়টি সফলতায় নিয়ে যেতে মিডিয়াকর্মীদের সহায়তা কামনা করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *