Sharing is caring!

চাঁপাইনবাবগঞ্জে সাপ্তাহিক সোনামসজিদের ১৮তম

বর্ষপূর্তি উৎসব : কবি লেখকদের মিলনমেলা

♦ স্টাফ রিপোর্টার

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক সোনামসজিদের ১৮তম বর্ষপূর্তি উৎসব হয়েছে। শনিবার সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা মিলনায়তনে ১৮তম বর্ষপূর্তি উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক এ.জেড.এম নূরুল হক। সাপ্তাহিক সোনামসজিদের প্রকাশক ও সম্পাদক মোহা. জোনাব আলীর সভাপতিত্বে ১৮ বছরে সাপ্তাহিক সোনামসজিদের প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পৌর মেয়র মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, নবাব অটো রাইস এন্ড ফিড মিলস এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্ব মো. আকবর হোসেন, মো. কামরুল আরেফিন বুলু। বক্তব্য রাখেন ‘দৈনিক চাঁপাই দর্পন’ এর সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম রঞ্জু, ‘দৈনিক গৌড় বাংলা’র সম্পাদক হাসিব হোসেন, পৌরসভার প্যানেল মেয়র-৩ মোসলেমা বেগম মুসি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ¯^াধীন সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক তুফান, জেলা দূর্ণীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মসিউল করিম বাবু, জেলা ট্রাক ও শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. সাইদুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সংস্কৃতি কেন্দ্রের সভাপতি মানিক রায়হান, শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজের ইংরেজী শিক্ষক নওসাবাহ নওরীন নেহা, জেলার বিশিষ্ট হোমিও চিকিৎসক রাতুল আহমেদ সজল, মহারাজপুরের বিশিষ্ট সমাজ সেবক মো. এম হোসেন, মো. সাদিকুল ইসলাম ও মো. দুরুল, ভোলাহাটের তমিজউদ্দিন, অব. শিক্ষক শাহজামালসহ অন্যরা। অনুষ্ঠানে নবাবগঞ্জ সরকারী কলেজের অব. অধ্যক্ষ প্রফেসর সুলতানা রাজিয়ার লেখা বক্তব্য পাঠ করেন কবি ও লেখক মো. কামরুল সাঈদ। উৎসবে পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মিজানুর রহমান, জিবাসের নির্বাহী পরিচালক মো. তরিকুল ইসলাম, অব. পোষ্ট মাস্টার ও লেখক আলহাজ্ব মো. আসমতুল্লাহ, অব. অধ্যক্ষ সাইদুর রহমান, জেলা কাজী সমিতির সাধারণ সম্পাদক কাজী আব্দুল বারী, ল্যাব ওয়ান হাসপাতালের মালিক মো. মাইনুল ইসলাম ডলারসহ জেলার শতাধিক লেখক, কবি, সাহিত্যিক, সুধীজন ও মিডিয়াকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।  প্রধান অতিথি বলেন, জেলার সাংবাদিকরা উন্নয়ন সাংবাদিকতা করেন। এই জেলার মানুষদের মাধ্যে কুটিলতা কাজ করে না। শিল্প-সাহিত্য চর্চার মধ্য দিয়ে চলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পেছনে পড়ে থাকবে না। একাগ্রতা ও আন্তরিকতার জন্যই সাপ্তাহিক সোনামসজিদ পত্রিকা ১৮টি বছর পার করে ১৯ বছরে পা দিয়েছে। তিনি জেলার পত্রিকাগুলোসহ সাপ্তাহিক সোনামসজিদ পত্রিকার উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে জেলার উন্নয়নে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান। বক্তারা সাপ্তাহিক সোনামসজিদের উত্তরোত্তর উন্নতি ও সাফল্য কামনা করেন। অনেক চড়াই-উৎরায় পার করে পত্রিকাটি ১৮ বছর পার করে ১৯ বছরে পদার্পণ করায় পত্রিকার সম্পাদক ও পৃষ্ঠপোষকতাকারীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান অনেকেই। সাপ্তাহিক পত্রিকায় পাঠক ১ সপ্তাহের খুটিনাটি অনেক সংবাদ পড়তে এবং জানতে পারে। সমাজ সংস্কারের লক্ষ্য নিয়ে জেলার সকল পত্রিকা কাজ করে চলেছে। পৃষ্টপোষকতার অভাবে অনেক পত্রিকা জেলা থেকে হারিয়ে গেছে। জেলার ব্যবসায়ীগণসহ নিজ নিজ স্থান থেকে জেলার পত্রিকাগুলাতে পৃষ্ঠপোষতার মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী করারও অনুরোধ জানান বক্তারা। সাপ্তাহিক সোনামসজিদ পত্রিকার শতবর্ষপূর্তির আশাবাদও ব্যক্ত করেন বক্তারা। শেষে জন্মদিনের কেক কাটেন অতিথিরা। বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে পত্রিকার ১৮তম বর্ষপূর্তি প্রতিকি বছর উপলক্ষে অনুষ্ঠানের ১৮জনকে পুরস্কৃত করা হয়। উল্লেখ্য, ২০০০ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা থেকে সাপ্তাহিক সোনামসজিদ পত্রিকার পথচলা শুরু হয়। চলার পথে ৯’শ ৩৬টি সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছে সাপ্তাহিক সোনামসজিদ। সাপ্তাহিত সোনামসজিদের সম্পাদক মোহা. জোনাব আলী লেখক, কবি, বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের গীতিকার। বেশ কয়েকটি বইও প্রকাশনা করেছেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *