Sharing is caring!

চাঁপাইনবাবগঞ্জে সোনালী ব্যাংকে চরম গ্রাহক হয়রানী ও অসাদাচরন অফিসারদের

♦স্টাফ রিপোর্টার

সোনালী ব্যাংকের চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রধান শাখায় গ্রাহক হয়রানী চরমে পৌঁচেছে। এখানকার বেশীর ভাগ অফিসাররাই গ্রাহকদের সাথে অসদাচরণ করছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। মনের ভাবটা এমন যেন, গ্রাহকরা শুধু বিরক্ত করতে আসছেন ব্যাংকে। গ্রাহকরা না আসলে বসে খোসগল্প করে আরাম আয়েশের মধ্য দিয়ে দিনের সময়টা পার করতে পারলে ভালো হয়। কিন্তু উনারা ভুলে যান যে, সরকারী ব্যাংকের চাকুরীর মাসিক বেতন-ভাতাদীটা গ্রাহকদের অর্থের এবং জনসাধারণের অর্থে হয়ে থাকে। অনদিকে, বাড়িতে থেকে দীর্ঘদিন স্থানীয় ব্রাঞ্চে চাকুরী করার সুবাধে আরও বেশী উদ্ধৌত্য এমন অফিসারদের, এমনটায় মনে করছেন ভূক্তভোগীরা। এমনই ঘটনা সোমবার সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রধান শাখায়। দৈনিক মানবকন্ঠের চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ও ‘দৈনিক চাঁপাই দর্পণ’ এর প্রকাশক ও সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম রঞ্জু চাঁপাইনবাবগঞ্জের সরকারী একটি অফিসের দেয়া সোনালী ব্যাংকের একটি চেক ‘সোনালী ব্যাংক, গুলশান শাখা, ঢাকা ব্রাঞ্চে ‘দৈনিক মানবকন্ঠ’ পত্রিকার এ্যাকাউন্টে জমা দেয়ার জন্য যায়। সেখানে অনলাইনে জমা দেয়ার জন্য ফরম পুরণ করে সংশ্লিষ্ট অফিসার এ কে এম তরিকুল আলম সিরাজী’র কাছে জমা দিতে গেলে তিনি চেকে সীল দিতে বলেন। সীল না থাকলে, বানিয়ে নিয়ে এসে চেকের পেছনে সীল দিয়ে জমা দেয়ার জন্য বলেন। আশরাফুল ইসলাম রঞ্জু বার বার অনুরোধ করলে তিনি ভাবটা এমন দেখানে যেন, চেকটা চুরি অথবা ছিনতাই করে নিয়ে গিয়ে মানবকন্ঠের এ্যাকাউন্টে জমা দিতে যাওয়া হয়েছে। প্রতিনিধি কি না? সে নিয়েও অনেক অসংলগ্ন কথাবার্তা বলেন ওই অফিসার। এনিয়ে শাখা ম্যানেজারের সাথে দেখা বা কথা বলার চেষ্টা করা হলেও তিনি চেম্বারে না থাকায় সম্ভব হয়নি। পরে কয়েকজন অফিসারের কাছে ম্যানেজারের ফোন বা মোবাইল নম্বর চাইলেও কেউই তা দেন নি। অবশ্য পরে ম্যানেজারের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে কথা বলেন আশরাফুল ইসলাম রঞ্জু। ম্যানেজার বিষয়টি ম্যানেজের চেষ্টাও করেন। জানা গেছে, তরিকুল আলম সিরাজীর বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরেই এবং দীর্ঘদিন থেকেই তিনি এই ব্রাঞ্চে চাকুরী করছেন। তাই ধরাকে-সরা জ্ঞান করছেন। সেবা দিতে হবে গ্রাহকদের, এটা যেন ভুলেই যান এমন অফিসাররা। অন্যদিকে, কিছুদিন পূর্বেই চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য ও বালুগ্রাম কলেজের উপাধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান মিন্টু’র সাথেও সোনালী ব্যাংক চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখার একজন কর্মকর্তা অসাদাচরণ করে। এনিয়ে নানা কথাবার্তা হয়। বিষয়টিকে কৌশলে ম্যানেজ করেন শাখা ব্যবস্থাপক। এছাড়াও অহরহই সোনালী ব্যাংক চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখায় গ্রাহক হয়রানী এমনকি গ্রাহকদের উপর চড়াও এর ঘটনা ঘটেছে।এব্যাপারে সোনালী ব্যাংক চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক মো. তারিক আমিন জানান, আসলে ভুল বুঝাবুঝির কারণে অনেক কথাবার্তা হয়ে যায়। অনেক সময়ই আমরা বেকায়দায় পড়েছি, সাংবাদিকদের আসল তথ্য নিশ্চিত হতে গিয়ে। আপনারা যারা প্রকৃত সাংবাদিক আছেন, তাদের বিষয়টি অবশ্যই আলাদা। হয়তো পরিচয় জানতে না পারা বা চিনতে না পেরে এরকম ঘটনা ঘটেছে। তিনি নানা কথা বলে বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেন। এব্যাপারে দৈনিক মানবকন্ঠের চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ও ‘দৈনিক চাঁপাই দর্পণ’ এর প্রকাশক ও সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম রঞ্জু এঘটনার সাথে জড়িত অফিসারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করেছেন। যেন আর কোন গ্রাহকের সাথে কোন অফিসার বা কর্তৃপক্ষ কোন অসাদচারণ করতে সাহস না পায় ভবিষ্যতে। তাহলেই প্রকৃত সেবা পাবে সাধারণ গ্রাহকগণ।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *