Sharing is caring!

চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্থলবন্দর আমদানীকারকদের সংবাদ সম্মেলন

♦ স্টাফ রিপোর্টার

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর সোনামসজিদ স্থলবন্দরে পানামা পোর্ট লিংক লিমিটেড এর অলিখিত ও অতিরিক্ত ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে সংবাদিক সম্মেলন করেছেন সোনামসজিদ আমদানী ও রপ্তানীকারক গ্রæপ। রবিবার বিকেলে শহরের একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন সোনামসজিদ আমদানী ও রপ্তানীকারক গ্রæপের সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন সোনামসজিদ আমদানী ও রপ্তানীকারক গ্রæপের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. সাহাবুদ্দিন, ভাইস প্রেসিডেন্ট নূরুল হুদা, কোষাধ্যক্ষ দিলিপ কুমার মন্ডল, উপদেষ্টা একরামুল হক ও আমিনুল ইসলাম সেন্টু, সদস্য মো. জামালউদ্দিন, আতাউর রহমান রাজু। এসময় জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াকর্মী উপস্থিত ছিলেন। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, পানামা পোর্ট লিংক লিমিটেডের নতুন নিয়মে প্রতি ফুট পাথরের দাম কয়েকগুন বৃদ্ধি হবে এবং আগের দামে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি করা পাথর সরবরাহ দিতে মোটা অংকের অর্থের লোকসান গুনতে হবে পাথর আমদানীকারকদের। ফলে বাধ্য হয়েই পাথর আমদানী বন্ধ রাখতে হয়েছে আমদানীকারকদের। সম্মেলনে আরও বলা হয়, পূর্বের ৭৮৩ টাকা প্রতি ট্রাকের ফি দিয়ে প্রতি মাসে পানামার আয় হতো প্রতিদিনই ১ লক্ষ ১৭ হাজার ৫’শ টাকা, মাসে আয় ৩৫ লক্ষ ২৩ হাজার ৫’শ টাকা, যা বছরে প্রায় ৪ কোটি ২২ লক্ষ টাকা। বর্তমানে বৃদ্ধি করে টন প্রতি ট্যারিফ হিসেবে প্রতিদিন আয় হবে ১২ লক্ষ টাকা, মাসে ৩ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা, বছরে ৪৩ কোটি ২০ লক্ষ টাকা প্রায়। গড়ে প্রতি বছরের তুলনায় অতিরিক্ত ৩৯ কোটি টাকা প্রায় আমদানীকারকদের দিতে হবে পানামাকে। এত পরিমান টাকা অতিরিক্ত দিয়ে ব্যবসা করা আমদানীকারকদের সম্ভব নয়। উল্লেখ্য, সোনামসজিদ স্থলবন্দরে পানামা পোর্ট লিংক লিমিটেড এর অতিরিক্ত ফি আদায়ের প্রতিবাদে প্রায় ২৫ দিন থেকে বন্দরে পাথর আমদানী বন্ধ রেখেছেন আমদানীকারকরা।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *