Sharing is caring!

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি \ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিজ্ঞানের বিকাশ ও আবিস্কারের অভিজ্ঞতা অর্জনের লক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩৮তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ-২০১৭ ইং উপলক্ষে ২ দিনব্যাপি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার সকালে নামোশংকরবাটি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মেলার উদ্বোধন করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আফতাব আলী। “উন্নত আগামীর জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি” শ্লোগানে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইফতেখার উদ্দিন শামীমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন নবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোঃ নজরুল ইসলাম, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ সেরাজুল হক, নামোশংকরবাটি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসলাম কবীর। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজের ইংরেজী বিভাগের শিক্ষক নওসাবাহ নওরীন নেহা ও নামোশংকরবাটী কলেজের প্রভাষক গোলাম ফারুক মিঠুন। মেলায় ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের ২৭টি প্রকল্প নিয়ে ১২০জন শিক্ষার্থী ৩০ টি স্টল রয়েছে। এর মধ্যে ১০৫ জন ছাত্র ও ১৫ জন ছাত্রী অংশ নেয়। শেষে মেলার স্টলগুলো পরিদর্শন করেন অতিথিবৃন্দ। ৩৮তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ-২০১৭ ইং উপলক্ষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহ¯্রাধিক শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহন করে। এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা সহকারি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আ.ফ.ম হাসান, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুল হান্নান, নবাবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাসিনুর রহমান, আলহাজ্ব হুমায়ন কবিরসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, শিক্ষকগণ, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা। প্রধান অতিথি নামোশংকরবাটী উচ্চ বিদ্যালয়ে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ১০০ বিজ্ঞানের বই প্রদানের ঘোষণা দেন। বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের আধুনিক জ্ঞান অর্জনের জন্যই এই মেলার আয়োজন। দেশের উন্নতি করতে হলে সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে। ৯০ এর দশকে শুরু হওয়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা আয়োজন অব্যাহত রয়েছে। গোটা জাতিকে বিজ্ঞান সম্মত করে গড়ে তোলার জন্য সমাজের কুসংস্কার দূর করতে হবে। বিজ্ঞানের যুগে আবিস্কার বেড়েছে। বিজ্ঞানের প্রসারের কারণে বর্তমানে ঘরে বসেই শিক্ষা বিভাগে ভর্তি, ফলাফলসহ বিভিন্ন বিষয় সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে। বিজ্ঞানীদের আবিস্কারের ফলেই সোলার প্যানেলের মাধ্যমে সেচ পাম্প, ফ্যান, লাইটসহ ইলেক্ট্রনিক সামগ্রী ব্যবহার হচ্ছে। আধুনিক আবিস্কারক বিজ্ঞানীদের মাধ্যমে সুন্দর বিজ্ঞানের জন্য সুন্দর মানুষ দরকার। বর্তমান সরকার দিনবদলের ম্যান্ডেট নিয়ে যে ভিষন ২০২১ ঘোষণা করেছে, তা বাস্তবায়নে জনপ্রতিনিধিসহ সকলের সহযোগিতাও প্রয়োজন। প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানে ৪ জন বিচারক দায়িত্ব পালন করেন। বিচারকদের মধ্যে ছিলেন, কারবালা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারি অধ্যাপক মোঃ শামশুদ্দীন, শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক মোসাঃ হোমায়রা রহমান, ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক বিলকিস আরা বানু ও ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক নওসাবাহ নওরীন নেহা।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *