Sharing is caring!

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৪ পৌরসভার কর্মকর্তা

কর্মচারীদের অবস্থান ও মানববন্ধন কর্মসূচি

♦ স্টাফ রিপোর্টার

রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানসহ পেনশন চালুর দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে সারাদেশের ন্যায় চাঁপাইনবাবগঞ্জেও কর্মবিরতির দ্বিতীয় দিনে সকল সেবা বন্ধ রেখে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে জেলার ৪ পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। মঙ্গলবার সকালে শহরের ক্লাব সুপার মার্কেটের সামনে দ্বিতীয় দিনের পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে অবস্থান ও মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন জেলার চাঁপাইনবাবগঞ্জ, শিবগঞ্জ, নাচোল ও রহনপুর পৌরসভার সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। বাংলাদেশ পৌরসভা সার্ভিস এ্যাসোসিয়েশন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার আয়োজনে অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার সচিব মো. মামুন-অর-রশীদ, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাদেকুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী মো. রোকনুজ্জামান, সংগঠনটির জেলা কমিটির সভাপতি মো. তরিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি সৈয়দ আব্দুল মুকিত আপেল, সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা ইউনিট সভাপতি মো. ইমরান হোসেইন, সাধারণ সম্পাদক মো. এনামুল হক, সাংগাঠনিক সম্পাদক মো. আতিক, স্বাস্থ্য ইন্সপেক্টর মো. জহির উদ্দীন, বাংলাদেশ পৌরসভা সার্ভিস এ্যাসোসিয়েশন শিবগঞ্জ পৌরসভা ইউনিট সভাপতি মো. মোবারক হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাতেন, প্রধান সহকারী সারওয়ার জাহান সেলিম, রহনপুর পৌর ইউনিট সভাপতি মো. ইসমাইল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক খাইরুল হক, নাচোল পৌরসভা ইউনিট সভাপতি শাহনেওয়াজ কবির মিলন, লাইসেন্স পরিদর্শক মো. আহসান হাবীবসহ অন্যান্যরা। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর কর্মচারী সংসদের সহ-সভাপতি মো. সেরাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রবিউল আওয়াল, হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মো. আহসান হাবীব, বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. নাইমুল হক, উচ্চমান সহকারী মো. গোলাম মোস্তফাসহ ৪ পৌরসভার বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। এসময় রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানসহ পেনশন চালু না হলে ১৪ জুলাই ঢাকায় মহাসমাবেশের মাধ্যমে আগামীতে কঠোর আন্দোলন এবং দীর্ঘদিনের জন্য পৌরসভার সকল সেবা বন্ধ রেখে অবস্থান কর্মসূচি পালনের হুশিয়ারী দেন বক্তারা। তারা বলেন, পৌর নাগরিকবৃন্দের জন্ম থেকে মৃত্যু, সকালে ঘুম হতে উঠা হতে রাতে ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত সকল নাগরিক সেবা আমরাই প্রদান করি। কিন্তু মাস শেষে বেতন-ভাতার অনিশ্চয়তা ও চাকুরি শেষে পেনশন পাওয়ার কোন সুযোগ নেয়। এমনকি অবসরের পর অনেক কর্মচারী অর্ধাহারে-অনাহারে দিন অতিবাহিত করছে এবং অসুস্থতার জন্য চিকিৎসা পর্যন্ত করাতে পারেন না। দীর্ঘদিন ধরে আমরা আন্দোলন করলেও এর কোন ভালো ফলাফল না পাওয়ায় বাধ্য হয়েই এই কর্মবিরতি দিতে হয়েছে। উল্লেখ্য, দেশের ৩’শ ২৮টি পৌরসভার ৩২ হাজার ৫’শ কর্মকর্তা-কর্মচারী একযোগে এই কর্মসূচি পালন করেছে। এর আগে ২ দিনের কর্মবিরতির প্রথমদিন সোমবার নিজ নিজ পৌরসভার প্রধান ফটকে অবস্থান নিয়ে স্বাভাবিক সকল সেবা বন্ধ রেখে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে পৌরসভার সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *