Sharing is caring!

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৭ বছরের কন্যা শিশুর মরদেহ উদ্ধার

♦ স্টাফ রিপোর্টার

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিখোঁজের একদিন পর মোসলেমা খাতুন রিমা নামে ৭ বছরের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গার একটি বাঁশবাগান থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ধারণা ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে রিমাকে। রিমা চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের মানিক হাজিরটোলা গ্রামের মোঃ রুহুল আমিনের মেয়ে। জড়িত পাষন্ডদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি পরিবার ও এলাকাবাসীর। মোসলেমা খাতুন রিমার মা মোসা. সুলতানা বেগম তাঁর মেয়ের হত্যার সাথে জড়িত অপরাধীকে খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ফাঁসির দাবি জানান। স্থানীয় রফিকুল ইসলাম জানান, ছোট্ট শিশু রিমাকে অত্যাচার করে হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে দ্রæত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা হোক। যেন ভবিষ্যতে আর কোন পাষন্ড এধরণের কাজ করতে সাহস না পায়। স্থানীয় ও রিমার পরিবার সুত্র জানায়, সোমবার রিমা একটি বরফ ওয়ালার সাথে সাথে পাশের গ্রামে চলে যায়। পরে ওই এলাকার কয়েকজন রিমাকে পৌছে দেয়ার নাম করে নিয়ে আসে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত রিমা নিজ বাড়িতে পৌছেনি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর না পেয়ে রিমান বাবা রুহুল আমিন এলাকায় মাইকিং করে। শেষ পর্যন্ত রিমার খোঁজ না পেয়ে সদর মডেল থানায় জিডি করে। মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় লোকজন গ্রামের পার্শ্ববর্তী একটি বাঁশবাগানে রিমার লাশ পড়ে থাকতে দেখে রিমার পরিবার ও পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে রিমার লাশ উদ্ধার করে। এঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। এলাবাসীর দাবি ছোট্ট ৭ বছরের অবুঝ শিশুর উপর অত্যাচার করে পাষন্ড-অমানুষ হত্যাকারীদের দ্রæত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে এসে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা নেয়ার। চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহবুব আলম খান জানান, সোমবার বিকালে বাড়ি থেকে বের হয় রিমা। কিন্তু সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত হলেও সে বাড়ি না ফিরলে খুঁজাখুজি শুরু করে স্বজনরা। তার নিখোঁজ সংবাদ মাইকেও ঘোষণা করা হয়। কিন্তু রিমার সন্ধান না পেয়ে রাতে তার বাবা সদর মডেল থানায় একটি জিডি করেন। মঙ্গলবার সকালে স্থানীয়রা একটি বাঁশ বাগানে রিমার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ধর্ষণের পর রিমাকে হত্যা করা হয়েছে। সব আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। বিষয়টি অধিকতর তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *