Sharing is caring!


স্টাফ রিপোর্টার \ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর উপজেলা ও শিবগঞ্জ উপজেলায় শুক্রবার বিকেলে হঠাৎ ব্যাপক শিলাবৃষ্টি হয়েছে। সদর উপজেলার বারঘরিয়া, মাহারাজপুর, ইসলামপুর, ছিলিম, বালিয়াডাঙ্গা, রানীহাটি ইউনিয়নসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের উপর দিয়ে বয়ে যায় ঝড় ও শিলাবৃষ্টি। এদিকে শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা, বিনোদপুর, কানসাট, মোবারকপুর, শ্যামপুর নয়ালাভাঙ্গাসহ উপজেলর প্রায় ইউনিয়নে ব্যাপক শিলাবৃষ্টি হওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে। বিনোদপুর ইউনিয়নের আম ব্যবসায়ী আলকেশ আলী বলেন, গেল ১ মে কালবৈশাখী তাণ্ডবে ইউনিয়নের প্রতিটা এলাকা বিধস্ত হয়ে গেছে। এর বিধস্ত থেকে গড়ে উঠার আগে আবারো শুক্রবার বিকেলে হঠাৎ প্রচুর শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। এতে এই ইউনিয়নের আম, গম, ধানসহ বিভিন্ন সফলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর সবচেয়ে আম চাষি, ও ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অন্যাদিকে, কানসাট ইউনিয়নের আম ব্যবসায়ী রেজাউল করিম, সফিক, জাব্বার, ইসমাইল সহ অনেকে বলেন, এবছর আম চাষি ও ব্যবসায়ীদের ক্ষতির পরিমাণ বলা কঠিন। কেননা, বছরের শুরু হতে না হতে প্রাকৃতিক যে দূর্যোগ দেখা দিয়েছে এতে আম ব্যবসায়ীদের পথে বসতে হবে। এব্যাপারে শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের শুক্রবার বিকেলে হঠাৎ শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। এই শিলাবৃষ্টি হয়েছে বেশিভাগ উপজেলার শ্যামপুর, মোবারকপুর, বিনোদপুর, শিবগঞ্জ পৌর, দূর্লভপুর, নয়ালাভাঙ্গা সহ কয়েকটি ইউনিয়নে। এতে ওই সব ইউনিয়নের আম সহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে। অপরদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ মুঞ্জুরুল হুদা বলেন, গত ১ মে কালবৈশাখী জেলার ব্যাপক তাণ্ডব চালায়। এতে ওইদিন সবচেয়ে বেশি আম সহ সব ধরণের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, শুক্রবার বিকেলে আবারো হঠাৎ শিলাবৃষ্টির কারণে কি পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা তাৎক্ষনিক নির্ধারণ করা যায়নি। তবে, আম ও ধান, গম, ভূট্টাসহ প্রায় সব ফসলের ক্ষতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছি। এর আগে গেল ১ মে জেলাকে লণ্ডভণ্ড দেয় কালবৈশাখীর তাণ্ডবে। লণ্ডভণ্ড হয়ে যাওয়া জেলার সাধারণ কৃষক, আম ব্যবসায়ী, হতদরিদ্রদের বাড়ি-ঘরে টিনে চাল উড়ে যায়। ওইদিনের ক্ষতির পূরণ না হওয়ার আগেই আবারো শুক্রবার বিকেলে শিলাবৃষ্টিতে জেলার দুই উপজেলার আম ও সফলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *