Sharing is caring!

Photo-02 shibganj-pic-01
স্টাফ রিপোর্টার \ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ৫ উপজেলায় সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকাল থেকে একটানা দুপুর পর্যন্ত এই ভোট গ্রহণ চলে। কোন রকম অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়ায় শেষ হয় ভোট গ্রহণ এবং ফলাফল। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভোট গ্রহণের সফল প্রস্তুতি নেয়ায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সংবাদদাতা জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচন সোমবার শান্তিপূর্ণ পরিবেশের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচনে ১নম্বর আসনে চাঁদ প্রতিকে ২৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন নারগিস জামান, ২ নম্বর আসনে মোরগ প্রতিকে ২৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন শিরিন আকতার, ৩ নম্বর আসনে মোরগ প্রতিকে ২৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন শিরিন জাহান। বিনা প্রতিদ্ব›িদ্বতায় নির্বাচিত হন ৪ নম্বর আসনে মাতোয়ারা বেগম ও ৫ নম্বরে সাবিনা শারমিন নির্বাচিত হয়েছেন। শিবগঞ্জ সংবাদদাতা জানান, প্রথমবারের মত সারাদেশের ন্যায় জেলার শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচন সোমবার শান্তিপূর্ণ পরিবেশের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ৮ টা থেকে ভোট গ্রহন চলে বেলা ২ টা পর্যন্ত। নির্বাচনে ৪টি আসনেই মোরগ প্রতীকে যারা নির্বাচিত হয়েছেন, তারা হলেন, সংরক্ষিত ২ নং আসনে  মোসাঃ মৌসমী বেগম ২৮ ভোট পেয়ে, সংরক্ষিত ৩ নং আসনে মোসাঃ কুস্তুরী বেগম ২৩ ভোট পেয়ে, সংরক্ষিত ৪ নং আসনে মোসাঃ  শিরিন বেগম ২৪ ভোট পেয়ে এবং সংরক্ষিত ৫ নং আসনে মোসাঃ সাজেনুর বেগম ২২ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। উল্লেখ্য, উপজেলার সংরক্ষিত মহিলা ৫টি আসনে ১২ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করার কথা থাকলেও ৪ টি আসনে নির্বাচন হয় এবং প্রতিদ্বন্দিতা করেন ১০জন। কারণ হিসেবে জানানো হয় ১ নম্বর আসনের ১ জন প্রার্থী তার প্রার্থীতা প্রত্যাহার করায় অন্য একজন প্রার্থী নূরজাহান বেগম বিনা প্রতিদন্দিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে সংরক্ষিত আসনের ৫টির মধ্যে বাকি ৪টি আসনের নির্বাচন হয়। ১০ জন প্রার্থী এই নির্বাচনে প্রতিদন্দিতা করেন। এই নির্বাচনে মোট ৪৮ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে বলে উপজেলা নির্বাচন অফিসার সেজারুদ্দিন জানিয়েছেন। নাচোল সংবাদদাতা জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলা পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা আসনে নির্বাচনে ১নং আসনে নাচোল ইউপি’র সংরক্ষিত সদস্য নাজমা খাতুন এবং ২নং আসনে ফতেপুর ইউপি’র রিতুফা বেগম নির্বাচিত হয়েছেন। সোমবার নাচোল  উপজেলা পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা ২টি আসনে নির্বাচন উপজেলা পরিষদ হল রুমে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভোট গ্রহন চলে। উল্লেখ্য, জেলার নাচোল উপজেলা পরিষদের সংরক্ষিত মহিলার ২টি আসনের নির্বাচনে করছেন ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্ব›িদ্বতা করে। ১নং আসনে (নাচোল সদর ইউপি-নাচোল পৌরসভা-নেজামপুর ইউপি) নাজমা বেগম (চাঁদ), বিলকিস আরা (বালতি), বেরাফুল বেগম (মোরগ), শামিমা ইয়াসমীন (হরিণ) প্রতিক এবং ২নং আসনে (ফতেপুর ও কসবা ইউপি) রিতুফা খাতুন (পেঁপে), সখিনা বেগম (টেবিল) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করছেন। এ নির্বাচনে মোট ১৫জন ভোটার ২টি আসনে প্রত্যেকে ২টি করে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত টানা ভোট গ্রহন চলে। ১ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ১ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও ১জন পোলিং অফিসার এ নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করেন। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাচন অফিসার রোকাব আলী দেওয়ান জানান, শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। গোমস্তাপুর সংবাদদাতা জানান, গোমস্তাপুর উপজেলা পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলা পরিষদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে রুলি খাতুন, আইরিন খাতুন, বিলকিস আক্তার নিজ নিজ প্রতিক নিয়ে জয়লাভ করেছেন। সোমবার সকাল থেকে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচন উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গ্রহণ শেষে সহকারী প্রি-জাইডিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কাইছার মোহাম্মদ বিজয়ীদের নাম ঘোষনা করেন।  উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, উজেলার ৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত ৩টি সংরক্ষিত আসনে বিপরীতে ১ নং ওয়ার্ডে রুলি খাতুন হরিণ প্রতিকে (১২) ভোট পেয়ে জয়ী, ২ নং ওয়ার্ডে আইরিন খাতুন চাঁদ প্রতিকে (১১) ভোট পেয়ে বিজয়ী, ৩ নং ওয়ার্ডে বিলকিস আক্তার বেবী হরিণ প্রতিকে সর্বোচ্চ (১৭) ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। ভোলাহাট সংবাদদাতা জানান, ভোলাহাটে উপজেলা পরিষদের সংর¶িত মহিলা আসনের নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট গ্রহণ হয়েছে। উপজেলা সমাজসেবা অফিসার সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৯টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে কোনপ্রকার বিরতী ছাড়াই বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলার কথা থাকলেও উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা সদস্যাদের ভোট মাত্র ১২টি হওয়ায় নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই ভোটগ্রহণ মাত্র দেড় ঘন্টা স্থায়ী হয়। উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন থেকে সদর ইউনিয়নের খাইরুন্নেসা বেগম ও মনিরা বেগম এবং দলদলী ইউনিয়নের শাকিলা বেগম মোট ৩ জন প্রার্থী এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করে। এতে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শাকিলা বেগম সর্বোচ্চ ৭ ভোট পেয়ে এবং মনিরা বেগম ৫ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। খাইরুন্নেসা বেগম কোন ভোট পাননি, বলে জানান প্রিজাইডিং অফিসার কাঞ্চন কুমার দাস। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল হায়াত মোঃ রফিক বলেন, সকলের সহযোগিতায় ভোট শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করেছে। তাদের নিজেদের মধ্যে একজন প্রার্থী হয়তো নিজের ভোটটা নিজেকে দেয় নাই। ৭ টা ভোট পেয়েছে ১জন, অপরজন পেয়েছে ৫টা।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *