Sharing is caring!

দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকই নারী। তাই পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও দেশ গঠনে অনেক ভূমিকা রাখছে। মহান মুক্তিযুদ্ধেও দেশকে পারধীনতার গ্লানী থেকে মুক্ত করতে অনেক নারী অংশ নিয়েছিলেন। একারনেই উদ্যোক্তা সৃষ্টির মাধ্যমে জেলার নারীদের স্বাবলম্বী করতে সামাজিকভাবে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন জেলার বিশিষ্ট জনেরা। পুরুষরা যেভাবে বিভিন্ন কাজে এগিয়ে রয়েছে, জেলার মহিলারা সেভাবে সকল কাজে এগিয়ে আসছে না। এর কারণ হচ্ছে সামাজিক ও পারিবারিক বাধা। অনেক নারী কাজ করতে চান। কিন্তু পারিবারিক বা সামাজিক বাধার কারনে এগিয়ে আসতে পারেন না। পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের কাজে লাগাতে না পারলে দেশের বা জেলার কাক্সিখত উন্নয়ন সম্ভব নয়। সরকারী ও বেসরকারীভাবে বিভিন্ন ধরণের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। কিন্তু সামাজিকভাবে সচেতনতা সৃষ্টি করতে না পারলে সমাজে নারীদের অংশ গ্রহণ নিশ্চিত করা যাবে না। তাই সরকারের পাশাপাশি সমাজের সকলস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে নারীদের কাজে লাগানোর জন্য। তাহলেই গড়ে তোলা সম্ভব একটি সুখি-সমৃদ্ধশালী ও ডিজিটাল বাংলাদেশ। চাঁপাইনবাবগঞ্জের অনেক নারী নিজেকে স্বাবলম্বি করে তুলেছেন পরিবার বা সমাজের সাথে পাল্লা দিয়ে। পারিবারিকভাবে নানা প্রতিকূলতার সৃষ্টি হয়েছে, তারপরও থেমে থাকেনি এসব নারীরা। যে সব নারীরা কাজ করতে চায়, তাদের মধ্যে অনেকেই অর্থাভাবে কাজে কাক্সিখত সফলতা নিয়ে আসতে পারেন না। সরকারীভাবে এসব কাজে আগ্রহী নারীদের আর্থিক ও অন্যান্য সহায়তা করতে হবে। তাহলেই তারা নিজেকে জাগিয়ে তুলবে এবং সমাজের প্রতিষ্ঠিত পুরুষদের মত মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে সমাজের জন্য অবদান রাখতে সক্ষম হবে। তাই নারীদের পাশে দাঁড়িয়ে সরকার ও সমাজের বিত্তবানরা জেলায় অবদান রাখতে এগিয়ে আসবেন এমনটায় আশা করছেন সচেতন মহল। উল্লেখ্য, সরকারী-বেসরকারীভাবে নারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টি, পরিবার ও শিক্ষিত সমাজ গঠনে নারীর ভূমিকা, উদ্যোক্তা তৈরীতে ব্যবসার উন্নয়ন ও পরিকল্পনা, নারীদের অধিকার ও দায়িত্ব, বাল্য বিয়ে, যৌতুক, বৃক্ষ রোপন, পুঁজির উৎস, পাপ্তির উপায়, নারীর ক্ষমতায়ন, পরিবার পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে সচেতনামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *