Sharing is caring!

স্টাফ রিপোর্টার \ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ সেলের মাধ্যমে জেলা পুলিশের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের বিষয় তুলে ধরতে সাংবাদ সম্মেলন করেছে জেলা পুলিশ। বুধবার দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলন হয়। জেলা পুলিশের নেয়া পদক্ষেপগুলো সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব আলম খান পিপিএম। সভায় উপস্থিত ছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার (হেডকোয়াটার) আব্দুল হাই সরকার, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ সাবের রেজা আহমেদ, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ সেলের কর্মকর্তা এস.আই ইসমোতারা। এসময় জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিক সম্মেলনে বলা হয়, ২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত যৌতুক সংক্রান্ত মামলা হয়েছে ২০১৪ সালে ৭৯টি, ২০১৫ সালে ১০২টি, ২০১৬ সালে ৪৪টি, ২০১৭ সালে ৩৩টি। ২০১৭ সালে মোট অভিযোগের সংখ্যা ৫৫টি। এর মধ্যে মামলা হয়েছে ১০টি, মামলা শুনানী শেষে উভয় পরিবারের মধ্যে সমঝোতা হয়ে স্বামীর ঘরে গিয়ে পুনরায় সংসার জীবন শুরু করছেন ১৬ দম্পতি। সমঝোতা না হওয়ায় বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে ২৯টি। এছাড়া ২০১৮ সালে অভিযোগ হয়েছে ১১টি। স্বামী গৃহে গেছেন ১জন, বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে ২টি। অভিযোগ প্রক্রিয়াধিন রয়েছে ৮টি। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব আলম খান পিপিএম বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হওয়া পরিবারগুলো থানা বা আদালতে মামলা করে যেন হয়রানীর শিকার না হয়, সেদিকে খেয়াল রেখে জেলা পুলিশ নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ সেল গঠনের উদ্যোগ নেয়। এই সেলের মাধ্যমে পুলিশের কাছে অভিযোগ করলে ৩ মাসের মধ্যেই উভয় পরিবারের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে সমাধানের ব্যবস্থা নেয়া হয়। ফলে কোন নির্যাতিত পরিবারকে দির্ঘদিন থানায় বা আদালতে দিনের পর দিন সময়ক্ষেপন করতে হয়না। এর ফলে উভয় পরিবারের অর্থ ও সময় বেঁচে যায়। তিনি সকলকে সচেতন হওয়ার আহবান জানান। সংবাদ সম্মেলন চলাকালে কয়েকটি উপকারভোগী পরিবার তাদের উপকারের বিবরণ তুলে ধরেন।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *