Sharing is caring!

স্টাফ রিপোর্টার \ প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রকল্পের মাধ্যমে ভিশন-২০২১ ডিজিটালের মাধ্যমে বাংলাদেশ গড়ার জন্য সরকারের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এবং সরকারের ডিজিটাল কার্যক্রমে জনগণের সম্পৃক্ততা বাড়াতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রেসব্রিফিং হয়েছে। জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে সোমবার বিকেলে প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মাহমুদুল হাসান। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এটুআই প্রকল্প ও জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠানে সরকারের নেয়া ডিজিটাল পদ্ধতিগুলোর সুফল ও করনীয় বিষয়ে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এরশাদ হোসেন খান, নবাবগঞ্জ সরকারী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ নজরুল ইসলাম, নবাবগঞ্জ সরকারী কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মাযহারুল ইসলাম তরু, প্রবীন সাংবাদিক মোঃ তসলিম উদ্দিন, জেলা তথ্য অফিসার মোঃ ওয়াহেদুজ্জামান (জুয়েল)সহ অন্যরা। ইন্টারনেটের ধীরগতি হওয়ায় গণমাধ্যম কর্মীসহ অন্যদের সমস্যা এবং নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের সমস্যার কথা তুলে ধরেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও ‘দৈনিক চাঁপাই দর্পণ’ এর সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম রঞ্জু ও ‘দৈনিক গৌড় বাংলা’র ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আজিজুর রহমান শিশির। এছাড়া ডিজিটাল সেবা ও বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন এ্যাড. সৈয়দ শাহজামাল, জেলা স্বাধীন প্রেসক্লাবের সভাপতি ফারুক হোসেন, সানসাইন পত্রিকার ফটোগ্রাফার ছোটকু, সাংবাদিক রবিউল ইসলাম টুটলসহ অন্যরা। এসময় লিখিত বক্তব্যে জেলা তথ্য অফিসার ওয়াহেদুজ্জামান বলেন, ই-নথি, তথ্য বাতায়ন, ডিজিটাল সেন্টার, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, নেটওয়ার্ক উন্নয়ন, মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুম, ই-মোবাইল কোর্ট, ভিডিও কনফারেন্সিং, ই-জিপি সিস্টেম, সরকারের বিভিন্ন ই-সেবা তালিকা বিষয়ে আলোচনা করেন। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল, মেধা-বিকাশ সুস্থ ও বিনোদন গুরুত্ব দেয়। এসময় স্থানীয় সাংবাদিকরা ই-সেবা বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। জেলার ইন্টারনেট সমস্যা, ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল ই-সেবা সেন্টারের উন্নয়ন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের মাল্টিমিডিয়া ক্লাস নেয়ার সুবিধা, ঘনঘন বিদ্যুত বিভ্রাটের প্রতিকারসহ ই-সেবা বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন সাংবাদিকরা। এসময় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর হোসেন, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকদের সব প্রশ্নের উত্তর দেন জেলা প্রশাসক মাহমুদুল হাসান। এসময় তিনি বলেন, ২০০৮ সাল থেকে নেয়া বর্তমান সরকারের বিভিন্ন ই-সেবার মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ সেবা পাচ্ছে। ফ্রি ল্যান্সিং এর মাধ্যমে বেকার যুবকরা চাকুরীর জন্য ধর্ণা না দিয়ে আতœনির্ভরশীল হয়ে তাদের আর্থিক চাহিদা মেটাচ্ছে। জেলায় অফটিক্যাল ফাইবারের কাজ শেষ হলে আরও বেশী বেশী ই-সেবা পাবে মানুষ। আগামী ডিসেম্বরে ৪জি চালু হলে ইন্টারনেট সমস্যাগুলো অনেকটায় দূর হয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন জেলা প্রশাসক। সঠিকভাবে সেবাগুলো পেতে সকলের সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *