Sharing is caring!

ডিজিটাল হয়ে নতুন রুপে আবারও

ফিরে এসেছে সেই লুডু খেলা

♦ রিপন আলি রকি

লুডু খেলা, দেশের সিংহভাগ মানুষই যে খেলার সাথে দীর্ঘদিন থেকেই পরিচিত। খেলাটি কালের পরিক্রমায় অনেকটা হারিয়ে যেতে বসলেও বর্তমানে ডিজিটাল পদ্ধতিতে আবারও এসেছে যুবকদের ও সাধারণ মানুষের মাঝে ফিরে এসেছে। পরিবার ও বন্ধুদের সাথে আড্ডার ছলে সময় কাটানোর বিশেষ মাধ্যম হিসেবে একসময় খুবই জনপ্রিয় হয়ে কয়েক যুগেরও বেশী সময় ধরে রাজত্ব করেছিল এ লুডু খেলা। পরিবারের সকলকে সাথে নিয়ে একসাথে বসে খুব আনন্দের সাথে এই খেলায় সময় কাটানো যায়। খেলার ফাঁকে ফাঁকে বিভিন্ন খাবার খেয়েও আনন্দ করা যায়। তাই গ্রাম বাংলার মানুষের কাছে, বিশেষ করে শিশু ও যুবকদের কাছে খাই প্রিয় একটি খেলা। তবে বর্তমান সময়ের শিশু ও যুবকরা লেখাপড়া আর ফেসবুক নিয়েই সময় কাটিয়ে দেয় সাধারনতঃ। বর্তমানে গেমস ইন্সটোমেন্ট, মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ ও কম্পিউটারের খেলা যাচ্ছে লুডু খেলাটি ৷ ইতিমধ্যেই তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে খেলাটি। আগে কাগজের বানানো লুডুতেই খেলা হতো। কাগজের বানানো লুডুর বোর্ডটিকে আকর্ষণীয় করে তুলতে নানা ধরনের রোমাঞ্চকর মুহুর্তের নায়ক-নায়িকাদের ছবি বা স্টিকার সংযুক্ত করা হত। চার জনের মধ্যে দুইটি ভাগে ভাগ হয়ে একটি ছক্কা গুঠির মাধ্যমে খেলে লম্বা সময়ের ব্যবধানে জয় পরাজয় নিশ্চিত হত। জনপ্রিয় খেলাটি লোক সমাজের অন্তরালে হারিয়ে গেলেও নতুনভাবে আবারও প্রাণ ফিরে পেয়েছে। তবে নতুন প্রজন্মে ভিন্ন রুপে ফিরে এসেছে লুডু খেলাটি। তরুণ প্রজন্ম যখন প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকে পড়েছে ঠিক তখনই কাগজের লুডু ফিরে এসেছে এ্যাপের মাধম্যে। এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের জমিনপুর গ্রামে দেখা গেছে, বেশ কিছু তরুণ একসাথে জমাট বেঁধে লুডু খেলার জমজমাট আসর জমিয়েছে ৷ তাদের মধ্যে বেশিরভাগ তরুণই শিক্ষার্থী। চার জনের একটি গ্রুপে ছিলো মো. মাসুদ রানা ও সাগর আহমেদ এবং প্রতিদ্বন্দ্বী খেলোয়াড় আব্দুর রব ও হিমেল। খেলায় বিজয়ী হন মাসুদ রানা ও সাগর আহমেদের গ্রæপ। অঝরে ঝরে পড়া ঝিরিঝিরি বৃষ্টির দিনে বাড়ির বারান্দা কিংবা বেলকুনিতে জমে উঠতো লুডু খেলার জমজমাট আসর। অপরদিকে, আরেকটি মজার খেলার ব্যবস্থা ছিলো। সাপ খেলা নামে পরিচিত সেই খেলাটি। যুব সমাজকে মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা করতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। তাদের এ খেলাকে স্বাগত ও সাধুবাদ জানিয়েছেন সমাজের সচেতন মহল। তরুণ প্রজন্মকে বাঁচাতে খেলাধুলার প্রতি আরও আকৃষ্ট করতে নতুন নতুন ডিজিটাল খেলার বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশিষ্ট জনরা৷

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *