Sharing is caring!

ঢাকা-১৮ আসনে নৌকার জয় অবশ্যম্ভাবী,

খবর নেই ধানের শীষের

নিউজ ডেস্ক: সারা দেশের মতো একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা শুরু হয়েছে ঢাকা-১৮ আসনে। দক্ষিণখান, খিলক্ষেত, তুরাগ, উত্তরা এবং উত্তরখান থানা এবং আশেপাশের কয়েকটি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এই আসনে এবারে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন। নির্বাচনী প্রচারণার কয়েকদিন পেরিয়ে গেলেও এই আসনের ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে কে ভোটের মাঠে রয়েছেন তাই এখনও জানেন না এখানকার অধিকাংশ ভোটার।অপরদিকে নির্বাচনী এলাকার সর্বত্র ছেয়ে গেছে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সাহারা খাতুনের পোস্টার-ব্যানারে। বিগত দশ বছরে এলাকার উন্নয়নের বার্তাসহ লিফলেট বিলি করছেন তার কর্মীরা। পুরো নির্বাচনী এলাকায় এই প্রার্থী ছাড়া অন্য কোনও প্রার্থীর পোস্টার দেখা যায়নি। যদিও এ নিয়ে মাথা ব্যথা নেই এ আসনের মানুষের। কেননা তারা নৌকার জয়ধ্বনিই শুনতে চান এবারের নির্বাচনেও।

উত্তরখান থানার ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিগত ১০ বছরে শেখ হাসিনার সরকারের উন্নয়ন পুরো রাজধানীতে চোখে পড়ার মতো। ফলে এই উন্নয়নকে ধরে রাখতে তারা পুনরায় নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সাহারা খাতুনকে জয়ী দেখতে চায়।

উত্তরখান এলাকার স্থানীয় তরুণ ভোটার শোভন আহমেদ জানান, ‘এবছর প্রথমবারের মতো জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেবো। পুরো এলাকা জুড়েই আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাহারা খাতুনের প্রচারণা চলছে। বিএনপি বা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কে এবার নির্বাচনে লড়বেন সেটি এখনও আমি জানি না। প্রথম ভোট আমি নৌকাকেই দিতে চাই। ঢাকা-১৮ আসনের ভোটাররা উন্নয়নের পক্ষে আমার একটি ভোট যদি কাজে লাগে তবে নিজেকে গর্বিত মনে করবো।’

দক্ষিণখানের আশকোনা এলাকার বাসিন্দা ভোটার মোহাম্মদ আশেক বলেন, ‘আমরা দেশের উন্নয়ন চাই। যে উন্নয়নের জন্য কাজ করবে তাকেই ভোট দেয়া উচিত। তাই’ই আমরা করবো’।

উত্তরখানের মাজার রোড কাঁচাবাজারের দোকানী আলমগীর বলেন, বিগত সময়ে এই এলাকার অনেক উন্নয়ন হয়েছে। আগে একটু বৃষ্টি হলেই এই এলাকার সড়কগুলোতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতো। এখন সেটি হয় না, কারণ বড় বড় ড্রেন তৈরি করে উঁচু রাস্তা করা হয়েছে। ফলে উন্নয়নের জন্য নৌকা প্রতীককেই আমরা নির্বাচিত কবো ইনশাল্লাহ।’

প্রসঙ্গত, একাদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা- ১৮ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৫৫ হাজার ৭১৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৮৬ হাজার ১৫৮ জন এবং নারী ভোটার ২ লাখ ৬৯ হাজার ৫৫৫ জন।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *