Sharing is caring!

তীব্র আন্দোলনে আগ্রহী ঐক্যফ্রন্ট, বিএনপির অনীহা!

নিউজ ডেস্ক : সরকারবিরোধী জনমত গড়ে তুলতে জেলা ও বিভাগীয় শহরে গণসংযোগ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। তবে, কবে এ কর্মসূচি শুরু হবে, তা স্পষ্ট করে বলতে পারছেন না ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। অবশ্য বিএনপি নেতাদের অনীহার কারণে আন্দোলনের সময়সূচী নির্ধারণ করা যায়নি বলে জানিয়েছেন ঐক্যফ্রন্টের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা।সোমবার (১১ মার্চ) বিকেলে মতিঝিলে ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বৈঠক কর্মসূচির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।

এদিকে ঐক্যফ্রন্টের এমন উদ্দেশ্যহীন রাজনীতিকে আইওয়াশ ও হতাশার বহিঃপ্রকাশ বলে দাবি করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। ঈদের পর ঈদ পার হয়ে গেলেও বিএনপির আন্দোলন কর্মসূচির কোন অগ্রগতি হবে না। বরং বিএনপির ছোঁয়ায় ঐক্যফ্রন্টের রাজনীতিতে স্থবিরতা ভর করবে বলেও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।

ঐক্যফ্রন্টের কর্মসূচিকে ব্যর্থ নাগরিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে দাবি করে বেসরকারি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, বিএনপি তথা ঐক্যফ্রন্ট মাঠের রাজনীতির চেয়ে আইন-আদালত ও নাগরিক আন্দোলনকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে। রাজনীতি করতে রাজপথে নামতে হয়, এসি রুমে বসে সমালোচনা করে চা-সিঙ্গারা খেলে রাজনৈতিক দাবি আদায় করা সম্ভব নয়। বিএনপি গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে কোন দাবি আদায় করতে পারেনি। ঈদ যায় কিন্তু বিএনপির আন্দোলনের উপযুক্ত সময় আর আসে না। বিএনপির সেই ভুত এবার ঐক্যফ্রন্টের ঘাড়ে চেপেছে।

বিষয়টিকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করে ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা ও নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ঐক্যফ্রন্ট বিএনপির মতো সময়ের জন্য অপেক্ষা করবে না। ঐক্যফ্রন্ট বিএনপির ব্যর্থতা থেকে অনেক শিক্ষা গ্রহণ করেছে। অতিরিক্ত সহনশীলতা যে উদ্ভাবনী ও প্রতিবাদের ক্ষমতা বিনষ্ট করে দেয়, তার যথার্থ প্রমাণ দেয় বিএনপির বিগত এক দশকের ব্যর্থ রাজনীতি। ঐক্যফ্রন্ট যথা সময়েই দেশব্যাপী জোরদার আন্দোলন গড়ে তুলে সরকারকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করবে। আমরা আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি মাঠের রাজনীতিতেও সরব হতে চাই। বিএনপির একাধিক নেতা অবশ্য প্রতিরোধের রাজনীতি করতে অনীহা প্রকাশ করেছেন। তারা সময় মতো উপস্থিত না হলে আমরা তাদেরকে ছাড়াই সরকারবিরোধী আন্দোলন গড়ে তুলব।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *