Sharing is caring!

তৈরী হচ্ছে জাতির পিতার স্বপ্নের বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের উন্নয়নের সন্দেশ আজ সারা বিশ্বে সমাদৃত। প্রধানমন্ত্রীর  সাথে প্রশংসিত হচ্ছে দেশ। সম্প্রতি ব্রাসেলস ভিত্তিক সাউথ এশিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোরামের (এসডিএফ) আয়োজনে ২৩ তারিখ বাংলাদেশ সফরে আসেন ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রতিনিধি দল। জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ ও নারীর ক্ষমতায়নে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বলেন, আসন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশ তাদের যোগ্য নেতা নির্বাচিত করবে বলে তারা প্রত্যাশা করেন। এসময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনীতি অবস্থা তাদের জানান। প্রধানমন্ত্রী তাদের আরও বলেন, দেশ থেকে দারিদ্র্য দূরীকরণের মাধ্যমে দেশের সর্বস্তরের জনগণের জীবনমান উন্নত করা হয়েছে।

প্রতিনিধি দলের ভিতর ইইউ পার্লামেন্টের রক্ষণশীল এমপি প্রধান রুপার্ট অলিভার ম্যাথিউসের নেতৃত্বে দলে আরও ছিলেন মার্ক এন্ড্রিও দেসমারিস, ফুলভিও মার্তিসিলিও, পর্তুগালের সংসদ সদস্য সান্দ্রা পেরেইরা, সোশ্যালিস্ট পার্টির জোয়ানা দে লিমা, পিপলস পার্টির জোয়াও পেরেইরা। তাদের সঙ্গে ছিলেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইকোনমিক ও সোশ্যাল কমিটির মাদি শর্মা ও আয়োজক সংস্থা এসএডিএফের সুশান গুয়ার্দা।

প্রতিনিধি দলের প্রধান রুপার্ট অলিভার ম্যাথিউস বলেন, নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একজন উদাহরণ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জোয়াও পেরেইরাকে বলেন যে, দেশে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর দেশের  দেশের মানুষের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে কাজ শুরু করেন। দেশের উন্নয়নে ইউয়ের অবদান রয়েছে। শুধু তাই নয় ইউরোপীয় ইউনিয়ন অবদান রেখেছে দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধেও।

ফুলভিও মার্তিসিলিও প্রধানমন্ত্রীকে সঠিক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা রাজনৌতিক স্থিতিশীলতার গুরুত্ব বলেন। এই প্রেক্ষিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এই দিক থেকে বাংলাদেশ সঠিক পথে হাঁটছে এবং সেই সাথে বাস্তবায়িত হচ্ছে জাতির পিতা ও দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের দেখানো পথে। শত বাধা বিপত্তির ভিতরও দেশের মানুষ আগের থেকে নিরাপদে দেশে বসবাস করতে পারছে।

তাদের সাথে কথোপকথন কালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও বলেন যে বর্তমানে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে, সেই সাথে অর্জিত হয়েছে নিরাপদ বাসস্থান, রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন ও সকল মানুষের জন্য চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা এই প্রথম সরাসরি কথা বলেন তরুণ প্রজন্মের সাথে। দেশের তরুণ সমাজ সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের সাধুবাদ জানিয়েছেন বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ প্রসঙ্গে বলেন যে, এই দেশ তার উন্নয়ন লক্ষমাত্রা অর্জন করে এখন ‘মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল’ এমডিজি অর্জনের দিকে এগোচ্ছে। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের বাংলাদেশ ইউ থেকে অর্জন করেছে বিশেষ সম্মাননা। সবদিক বিবেচনায় বাংলাদেশ বর্তমানে স্বল্পোন্নত ও উন্নত দেশের অনুসরণীয়।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *