Sharing is caring!

তৎপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী: নির্বাচনে গুজব

খবর প্রচার-লাইক-শেয়ার করলেই

মামলা, গ্রেফতার

নিউজ ডেস্ক: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু করতে এবং অপপ্রচার রোধে মাঠে নেমেছে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা। এর সঙ্গে একযোগে কাজ করছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। জানা গেছে, ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যেকোন শাখায় যেকোন ধরণের গুজব ছড়ালেই তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এমনকি অপপ্রচারকে ছড়িয়ে দিতে যারা ওই খবরে লাইক, শেয়ার করবে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে এবং তার ও তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র মারফত জানা গেছে, এরইমধ্যে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, র‌্যাব, পুলিশের স্পেশাল ইউনিট মাঠে নেমেছে। তারা ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন শাখায় নজরদারি চালাচ্ছে। অপপ্রচার রোধে যোগাযোগ মাধ্যমের সকল শাখায় ২৪ ঘণ্টাই মনিটরিং অব্যাহত রাখছে।

এদিকে এরইমধ্যে নির্বাচন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া সংবাদ প্রচার এবং অপপ্রচার হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে মামলা দায়েরসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি ইসি নিজস্ব টিম দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মনিটরিং করবে।

তথ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, গুজব প্রতিরোধে মূলত কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলো। যেসব বিষয়গুলো রাষ্ট্রের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য ক্ষতিকর, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হয়, নাশকতা, সহিংসতা ও গণবিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে সেসব বিষয়গুলোকেই এই প্রতিরোধ সেল প্রাধান্য দিয়ে সার্বক্ষণিক নজরদারি করছে তথ্য মন্ত্রণালয়ের গুজব প্রতিরোধ ও অবহিতকরণ সেল। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ২৪ ঘণ্টাই খোলা রাখা হচ্ছে তথ্য অধিদফতরের নিউজ রুম। ১৮ সেপ্টেম্বর এই গুজব প্রতিরোধ সেল গঠনের পর এ পর্যন্ত তিনটি গুজবের খবর দিয়েছে তথ্য মন্ত্রণালয়। এছাড়াও এ সেলের তথ্য অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা গুজব ও অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে।

পুলিশ সদর দফতর সূত্রে জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে গুজব ঠেকাতে পুলিশ সদর দফতরের পক্ষ থেকে বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পুলিশ সদর দফতরেই একটি সাইবার মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। সারা দেশের পুলিশ সুপারদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে ও সার্বক্ষণিক নজরদারি বাড়াতে বলে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও স্থায়ীভাবে এ বিষয়ে পুলিশের নতুন ইউনিট গঠনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যাতে কোনও অবস্থাতে কেউ গুজব ছড়িয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে না পারে।

এ প্রসঙ্গে সম্প্রতি একটি বৈঠক শেষে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের জানান, প্রশাসন ইতোমধ্যে ২৪ ঘণ্টা মনিটরিং শুরু করেছে। আমরাও মনিটরিং করছি। এজন্য আমাদের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি শাখার (আইসিটি) কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি নিজস্ব মনিটরিং টিম করা হয়েছে। এ ছাড়া গোয়েন্দা নজরদারি তো থাকছেই।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *