Sharing is caring!

গোদাগাড়ী প্রতিনিধি \ গোদাগাড়ীতে থানার ভেতর এক আওয়ামী লীগ নেতাকে পিটিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার বিকাল ৪টার দিকে জেলার গোদাগাড়ী মডেল থানায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশি লাঞ্ছনার শিকার ওই আওয়ামীলীগ নেতার নাম আবদুল মালেক। তিনি গোদাগাড়ী পৌরসভা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি। আবদুল মালেক জেলা আওয়ামীলীগের ও সদস্য ছিলেন। গোদাগাড়ী পৌরসভার সারেংপুর কলেজপাড়া এলাকায় তার বাড়ি। পুলিশ তাকে মারপিট করায় বি¶ুব্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলা সদর ডাইংপাড়া মোড়ে অবস্থান নিয়ে রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়ক অবরোধ করেন।এ সময় সড়কের দু’পাশে ঢাকা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জমুখী বহু গাড়ি আটকে পড়ে। দীর্ঘ এলাকাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। এ সময় বি¶ুব্ধ নেতাকর্মীরা গোদাগাড়ীর ওসিসহ জড়িত সব পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে শ্লোগান দেয়। পরে রাত ৯টার দিকে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ভুক্তভোগী আবদুল মালেক জানান, বর্তমানে রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়ক সংস্কারের কাজ চলছে। শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে স্থানীয়রা অভিযোগ তোলেন, কাজের মান খুবই খারাপ। এ নিয়ে সারেংপুর কলেজপাড়া এলাকায় ঠিকাদারের লোকজনের সঙ্গে স্থানীয়দের কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় ঠিকাদার ফোন করে পুলিশ ডাকেন। পুলিশ সারেংপুর মহল্লার শহিদুল ইসলাম নামে এক যুবলীগ নেতাকে ধরে থানায় নিয়ে যায়। তিনি জানান, বিকালেই আমি স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা সুলতানুল বাবুকে নিয়ে বিষয়টি মীমাংসার জন্য থানায় যাই। পরে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিপজুর আলম মুন্সি শহিদুলকে ছেড়ে দেন। মালেক আরো জানান, এরপর তারা থানা থেকে বের হয়ে আসছিলেন। এ সময় থানার উপ-পরিদর্শক আহসানুল হক ছাত্রলীগ নেতা সুলতানুল বাবুকে আটক করেন। তার যুক্তি বাবুও ঠিকাদারদের সঙ্গে বাকবিতন্ডা করেছিলেন। এ সময় আবদুল মালেক তাকে আটকে বাধা দেন। এক পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে তারও কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এদিকে আবদুল মালেককে মারধরের ঘটনায় গোদাগাড়ী পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি অয়েজ উদ্দিন বিশ্বাস ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বদিউজ্জামান ওসিসহ জড়িত সব পুলিশ কর্মকর্তার প্রত্যাহারের দাবি জানান। এ বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে ওসি হিপজুর মুন্সি বলেন, মারধরের ঘটনা ঘটেনি। ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছিল। তিনি ওই দুই দারোগাকে আবদুল মালেকের নিকট থেকে ক্ষমা চাইয়ে নিয়েছেন। তবে এসআই আহসানুল হক দাবি করেছেন, ধাক্কাধাক্কিও হয়নি। শুধু কথা কাটাকাটি হয়েছে। এদিকে মোবাইল বন্ধ থাকায় এএসআই শাহিনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *