Sharing is caring!

PIC-03.05নওগাঁ সংবাদদাতা \ নওগাঁর ধামইরহাটে এবার ইরি বোরো ধানের বাম্পার ফলন হলেও কামলা (শ্রমিক) সংকটের কারণে কৃষক দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এ সুযোগে কামলারা কৃষকদেরকে বেকায়দায় ফেলে বেশি মজুরী আদায় করছে। অনেক কৃষক ঘরে ধান তুলতে পারবে কিনা এনিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে। জানা গেছে, এবার ধামইরহাট উপজেলা প্রায় ১৭ হাজার হেক্টর জমিতে কৃষকগণ ইরি বোরো ধান চাষ করেছে। অন্যান্য বারের তুুলনায় এবার ধানের রোগ বালাই কম, সঠিক সময়ে সার, কীটনাশক প্রয়োগ, সময়মত পানি সেচ প্রদান এবং উপজেলা কৃষি বিভাগের কর্র্মকর্তা-কর্মচারীদের সঠিক দিক নির্দেশনায় ইরি বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। বর্তমানে পুরো উপজেলায় ধান কাটা মাড়াইয়ের কাজ চলছে। অধিকাংশ জমিতে কৃষকগণ জিরাশাইল ধান চাষ করেছে। ধানের ফলনও ভালো। প্রতি একরে প্রায় ৭৫-৮০ মণ ধানের ফলন হয়েছে। বাজারে বর্তমানে প্রতি মণ ধান ৬৪০ থেকে ৬৫০ টাকা দরে কেনাবেচা চলছে। সরকারীভাবে এখনও ধান ক্রয় শুরু হয়নি। সব কিছুই কৃষকের অনুক‚লে থাকলেও কামলার সংকট ব্যাপক আকারে দেখা দিয়েছে। অধিকাংশ ধান এক সাথে পাকতে থাকায় এ সংকট আরও ঘনিভ‚ত হয়েছে। উপজেলার জয়জয়পুর গ্রামের কৃষক মো.নবিবুল ইসলাম বলেন, গত বছর যে ধান প্রতিমণ ৫-৬ কেজি দরে কাটা হতো এবার তা বেড়ে ৮-৯ কেজিতে দাড়িয়েছে। এতে কৃষকদের বাড়তি ব্যয় করতে হচ্ছে। বড় চকগোপাল (আবিলাম) গ্রামের কৃষক মো.রবিউল ইলসাম লিটন বলেন, কামলা সংকটের কারণে তার ধান এখনও কাটা শুরু হয়নি। বিভিন্ন জায়গায় কামলার জন্য হণ্যে হয়ে খোঁজ করেও কামলা মিলছে না। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার ড. মো. জামাল উদ্দিন বলেন, কৃষকরা বৈজ্ঞানিক যন্ত্র রিপার দিয়ে ধান কাটলে এ সংকট হতো না। তিনি আরও বলেন, কৃষক ধান কাটার মেশিন রিপার ক্রয় করতে চাইলে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ ভাগ ভর্তুকি দিয়ে ৭দিনের মধ্যে সরবরাহ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *