Sharing is caring!

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁ শহরের দুর্গাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে পাঠ্য পুস্তকের পরিবর্তে ফুলকুড়ি পাবলিকেশানের গাইড বই ছাত্রছাত্রীদেরকে বাধ্যতামুলক কেনার ও পড়ানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রধান শিক্ষক তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তবে, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বিষয়টি তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দিয়েছেন। সুত্রে জানা গেছে, সরকার যখন প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে জন্য নোট বই এবং গাইড বই এর পরিবর্তে বোর্ড কর্তৃক পাঠ্য পুস্তক দিয়ে ভাল মানের পড়াশুনা করার জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই মাঝে নওগাঁ শহরের ৩৩ নং দুর্গাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামীমা পারভীন ওই স্কুলের ৩য় থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীদেরকে পাঠ্য পুস্তকের পরিবর্তে বাধ্যতামুলক ফুলকুড়ী পাবলিকেশানের গাইড বই কেনাতে এবং পড়াতে বাধ্য করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরজমিনে সাংবাদিকরা বিদ্যালয়ে গেলে ৫ম শ্রেণীর গনেশ  চন্দ্র এবং ৩য় শ্রেণীর ফারজানার কাছ থেকে ওই গাইড বই কেনার এবং পড়ানের কথা স্বীকার করেছেন। নাম প্রকাশে কয়েক অভিভাবক জানায়, ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামীমা ছেলে মেয়েদেরকে চাপ সৃষ্টি করে ফুলকুড়ি পালিকেশানের গাইড বই কেনাতে বাধ্য করেছে। ছেলে মেয়েদের লেখাপড়ার স্বার্থে বাধ্য হয়ে আমরা কিনে দিয়েছি। অন্য কোন গাইড বই কিনলে হবে না। এই গাইড বই অনেক ভাল বলে জানান তিনি। অভিযোগে আরও জানা যায়, ফুলকুড়ী পাবলিকেশানের নিকট থেকে মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে ওই গাইড বই কিনতে বাধ্য করেছে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে। এ ব্যাপারে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক. শামীমা পারভীন এর সাথে যোগাযোগ করা হলে, তার বিরুদ্ধে ওই স্কুলের ছাত্রছাত্রীদেরকে বাধ্যতামুলক ফুলকুড়ী পাবলিকেশানের গাইড বই কেনার এবং পড়ানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এ ব্যাপারে জেলা প্রথমিক শিক্ষা অফিসার বদরুজ্জেহা কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যদি কোন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পাঠ্য পুস্তকের পরিবর্তে গাইড বই কেনা এবং পড়ানো হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। তবে, আমার কাছে এ রকম কোন অভিযোগ পাই নি। বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হবে বলে জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *