Sharing is caring!

Exif_JPEG_420

নাচোল সংবাদদাতা \ চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার খেসবা দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির ভোট স্থগিতের ঘটনায় শনিবার সকালে মাদ্রাসার সুপারকে এক ঘন্টা অবরুদ্ধ করে রাখে এলাকাবাসী। পরে নাচোল থানা পুলিশের সহায়তায় মাদ্রাসার সুপার আব্দুর রশিদকে উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৭সেপ্টেম্বর খেসবা দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির তফসিলি ঘোষণা করা হয়। কিন্তু তফসিলে ম্যানেজিং কমিটি গঠন প্রবিধান ৭এর (ঘ) ভোটার প্রনয়ন ও প্রকাশ (২)১০এর দফা (খ)বিধান সাপেক্ষে “উপ প্রবিধান (১)”অনুসরণ না করায় অত্র মাদ্রাসার সাবেক সভাপতি ও আওয়ামীলীগের ওয়ার্ড  সেক্রেটারি মাহাতাব উদ্দিন মাদ্রাসার অভিভাবক ভোটার তালিকা সঠিকভাবে প্রনয়ন করে পুনরায় তফসিলি ঘোষণা করার জন্য উপজেলা প্রিসাইডিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর গত ২২শে সেপ্টেম্বর একটি অভিযোগ পত্র দাখিল করে। প্রেক্ষিতে প্রিসাইডিং অফিসার গত ২৭সেপ্টেম্বর মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির ভোট স্থগিত করে। ম্যানেজিং কমিটির ভোটে মোট ১৬জন প্রার্থী মনোনয়ন কিনে ভোটের প্রচারনা শুরু করে। কিন্তু ভোটের প্রচারনায় প্রাথীরা আর্থিক ভাবে ক্ষতি গ্রস্থ হয়েছে বলে জানান, ইবতেদায়ী শ্রেণীর ভোটার অভিভাবক সদস্য জোহরুল ইসলাম ফারুক ও দাখিল শ্রেণীর ভোটার অভিভাবক সদস্য ও আওয়ামীলীগের ওয়ার্ড সভাপতি ইসমাইল হোসেন সাহেব। মাদ্রাসার সুপার ছয় মাস পূর্বে নিয়মবহির্ভূত ভাবে ম্যানেজিং কমিটির তফসিলি ঘোষণা করলে, জনগণের তোপের মুখে সেই ভোট গ্রহণ বাতিল করতে বাধ্য হয়। স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতারা জানান, মাদ্রাসার সুপার একজন জামাত শিবিরের নেতা এবং সে একাধিকবার জেলহাজত খেটেছে। যার কারনে সুপার ম্যানেজিং কমিটিতে বিএনপি জামাতপন্থী লোকদের সভাপতি করার জন্য বারবার কারসাজি করে আসছে। তাই এলাকা বাসীর দাবি পুনরায় ম্যানেজিং কমিটির তফসিলি ঘোষণা করে একটি অবাধ স্বচ্ছ ভোটের মাধ্যমে মাদ্রাসার সভাপতি নির্বাচন করা। মাদ্রাসার সুপার বিভিন্ন উন্নয়ন তহবিল থেকে মাদ্রাসার নাম করে অর্থ উত্তোলন করলেও মাদ্রাসার কোন উন্নয়ন কাজে ব্যায় না করে ব্যক্তিগত কাজে খরচ করে বলে অত্র মাদ্রাসার নাম  প্রকাশে অনিইচ্চুক একজন শিক্ষক জানান। এবিষয়ে মাদ্রাসার সুপারের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। খেসবা দাখিল মাদ্রাসার কোমল মতি শিক্ষর্থীরা জানান, মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির ভোটকে কেন্দ্র করে মাদ্রাসায় প্রতিদিন হৈহুল্লোড় হচ্ছে, যার কারনে আমাদের লেখাপড়ার চরম ক্ষতি হচ্ছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং পুনরায় যেন মাদ্রাসার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসে বলে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *